ভারী বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে প্রতিদিনই তলিয়ে যাচ্ছে হাওরের নতুন নতুন এলাকার ধানখেত। টানা বৃষ্টিতে খেতের ফসল ঘরে তুলতে পারছেন না কৃষক। আর রোদে শুকাতে না পারায় নষ্ট হচ্ছে মাড়াই করা ধান। ফসলের ক্ষতিতে বিপাকে কৃষকেরা।
হবিগঞ্জে বৃষ্টির মধ্যেই পানিতে তলিয়ে যাওয়া ধান কাটছেন কৃষকেরা। বৈরী আবহাওয়া ও শ্রমিক সংকটে ফসল নিয়ে চরম দুর্ভোগে রয়েছেন তারা। মৌলভীবাজারেও থেমে থেমে বৃষ্টি। ধান কাটা, মাড়াই ও শুকানো নিয়ে বিড়ম্বনায় চাষিরা। বৃষ্টিতে পানি ওঠায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কাউয়াদিঘি ও হাকালুকি হাওরের ধান।
সুনামগঞ্জে নতুন করে পানিতে তলিয়েছে ২ হাজারের বেশি হেক্টর জমির ধান। আগামী ৭ মে পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হবে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, ‘পরবর্তী ৪ দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সেক্ষেত্রে সুনামগঞ্জে আগাম বন্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে নদ–নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। ভারী বৃষ্টি হলে বন্যা দেখা দিতে পারে।’
উজানের ঢলে কিশোরগঞ্জের নদ-নদীর পানি বাড়ায় তলিয়ে গেছে হাওরাঞ্চলের ৮ উপজেলার সাড়ে ছয় হাজার হেক্টর জমির ধান। এদিকে বাড়তি মজুরি দিয়েও মিলছে না ধান কাটার শ্রমিক।
বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোণার কংশ, উপদাখালিসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বাড়ছে। বেশিরভাগ হাওরের ধান কাটা বাকি থাকায় ফসল নিয়ে বাড়ছে উৎকণ্ঠা।