ইউরোপের বাজারে যাচ্ছে সাতক্ষীরার হিমসাগর আম। শনিবার প্রথম দিনে দেড় হাজার কেজি আম পাঠানো হলো যুক্তরাজ্য ও ইতালিতে। রপ্তানি করতে পেরে খুশি চাষিরা। কঠোরভাবে মান যাচাইয়ের পর বিদেশে আম পাঠানোর কথা জানালেন রপ্তানিকারকরা।
মাটি ও আবহাওয়া অনুকূল হওয়ায় অন্যান্য জেলার আগেই পাড়া হয় সাতক্ষীরার আম।
২০১৪ সাল থেকে এই আম রপ্তানি হচ্ছে ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ইতালিসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে। মান বজায় রাখতে মৌসুমের শুরু থেকেই সচেতন থাকেন চাষিরা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সহায়তায় শনিবার প্রথম দিনে বিদেশে পাঠানো হলো দেড় হাজার কেজি হিমসাগর আম।
ঢাকা চেইন ইন্টারন্যাশনালের কো-অর্ডিনেটর মো. রাসেল বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ইউরোপে সাতক্ষীরার বিখ্যাত হিমসাগর আম রপ্তানি করে আসছি। আমরা সাধারণত বাগানমালিকদের সাথে চুক্তিবদ্ধ হই। এরপর ফ্রেশ আম হার্ভেস্টিংয়ের মাধ্যমে ঢাকায় পাঠানো হয়| ঢাকায় প্যাকেজ সেন্টারে আবারও যাচাই-বাছাইয়ের পর সনদ নেওয়া হয়। এরপর লন্ডন ও ইতালি যাবে। আজকে দেড় মেট্রিক টন ইউরোপে যাচ্ছে। আমরা হয়ত এবার ১০০ মেট্রিক টন আম বিদেশে পাঠাব।’
কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, এই জেলা থেকে মোট ১০০ মেট্রিক টন হিমসাগর ও ল্যাংড়া জাতের আম রপ্তানি করা হবে।
সাতক্ষীরা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনির হোসেন বলেন, ‘বিদেশে যারা আম পাঠান, তারা ইতোমধ্যে তাদের নিজ ক্রয়কৃত বাগান থেকে হিমসাগর আম সংগ্রহ করে বিদেশে পাঠানো শুরু করবেন। এবার ১০০ মেট্রিক টন আম বিদেশে যাবে। কৃষিবিভাগ চেষ্টা করে যাচ্ছে, কেউ যাতে আমে কেমিক্যাল মিশ্রিত করতে না পারে।’
সাতক্ষীরায় এবার ৪ হাজার হেক্টর জমিতে আম উৎপাদনের লক্ষ্য ৭০ হাজার মেট্রিক টন।