ঈদের ছুটির শেষ দিনেও পর্যটনকেন্দ্র ও দর্শনীয় স্থানে পর্যটকদের ভিড়

ঈদের ছুটিতে বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র ও দর্শনীয় স্থানে ভিড় করছেন পর্যটকরা। দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকদের চাপ সামলাতে ব্যস্ত হোটেল-মোটেল ও পরিবহনসহ পর্যটন খাত সংশ্লিষ্টরা। 

সবুজ চা বাগান, পাহাড়-টিলা আর বনের সৌন্দর্যে ঘেরা মৌলভীবাজার বরাবরই প্রকৃতিপ্রেমীদের অন্যতম গন্তব্য। ঈদের ছুটিতে জেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত, মাধবপুর লেকসহ বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়।

পরিবার-পরিজন কিংবা বন্ধুদের নিয়ে প্রকৃতির সাথে সময় কাটাতে পেরে উচ্ছ্বসিত পর্যটকরা। তাদের উপস্থিতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা। 

লাউয়াছড়ায় ঘুরতে আসা এক পর্যটক বললেন, 'মানুষ সব সময় দুশ্চিন্তা করে। এটা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় হচ্ছে প্রকৃতির সাথে মিশে যাওয়া। প্রকৃতি কখনও আপনাকে ঠকাবে না।'

স্থানীয় ট্যুর গাইড সাজু মারচিয়াং জানান, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা আসতে শুরু করেছে। মোটামুটি কাজ হচ্ছে। আশা করি কয়েকদিন আরও ভালো কাজ হবে।

সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ের নৈসর্গিক সৌন্দর্য উপভোগে শেরপুরের গজনী অবকাশ কেন্দ্র ও মধুটিলা ইকো পার্কে ভিড় করেছেন দর্শনার্থীরা। তবে প্রত্যাশা অনুযায়ী এবার দর্শনার্থী অনেক কম, বলছেন ব্যবাসয়ীরা। 

পর্যটন শিল্পের সাথে জড়িত এক ব্যবসায়ী বলেন, 'বৈরী আবহাওয়ার জন্য পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকদের উপস্থিতি খুবই কম লক্ষ্য করতে পারছি।' শেরপুরের পর্যটন ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছানুয়ার হোসেন জানান, 'আমরা আশা করছি, আগামী দু-চার দিনে যদি লোকজন বাড়ে তবে ক্ষতিটা পুষিয়ে নিতে পারব।'   

হিলির একমাত্র বিনোদনকেন্দ্র হিলি গ্রীন প্যালেস পার্কেও ছুটির আমেজ। বিভিন্ন রাইডে চড়ে আনন্দে মেতেছেন নানা বয়সী মানুষ। এখানে বেড়াতে আসা এক পর্যটক বলেন, 'ঢাকাতে তো অনেক পার্কে ঘুরেছি। এটা দেখি কী করম। এজন্যেই আসা, ভালোই লাগতেছে।' উৎফুল্ল আরেক পর্যটক জানান, 'খুব খুশি হয়েছি এই রিসোর্টে এসে। এখানে পরিবার-পরিজন নিয়ে আসতে পেরে খুব ভালো লাগছে।' 

দর্শনার্থীদের পদচারনায় সরগরম চাঁদপুরের অন্যতম দর্শনীয় স্থান তিন নদীর মোহনা বড়স্টেশন মোলহেড এলাকা। এদিকে, ঈদের ছুটির শেষ দিনেও কুয়াকাটায় কমেনি পর্যটকের সংখ্যা। আগতদের ভিড়ে  বুকিং রয়েছে ৮০ ভাগ হোটেল-মোটেলের কক্ষ।