ফের তীব্র হচ্ছে নদীভাঙন, বিলীনের মুখে বসতভিটা ও আবাদি জমি

উজানের ঢল আর নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দেশের উত্তরাঞ্চলে আবারও তীব্র আকার নিয়েছে নদীভাঙন। রংপুর-লালমনিরহাট সীমান্তের তিস্তা নদীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, আবাদি জমি ও সড়ক।   

তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধিতে রংপুর ও লালমনিরহাট সীমান্তবর্তী তালপট্টি এলাকায় তীব্র হয়েছে ভাঙন। কয়েক মাস আগে নির্মিত সড়কটি এখন বিলীনের পথে। প্রতিদিন নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে তীর, আতঙ্কে দিন কাটছে প্রায় পাঁচ হাজার পরিবারের।

চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে উত্তরাঞ্চলের হাজারো মানুষের। অনেক পরিবার একাধিকবার ঘর–বাড়ি হারিয়েছেন ভাঙনে। দ্রুত ভাঙ্গনরোধে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে নদীগর্ভে চলে যেতে পারে পুরো এলাকা। 

বছরের পর বছর নদীভাঙনে বসতভিটা ও ফসলি জমি হারালেও স্থায়ী সমাধান মেলেনি। এবার দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে নদীপাড়ের মানুষের জীবন-জীবিকা রক্ষায় সরকারের হস্তক্ষেপের অপেক্ষায় নদীপাড়ের হাজারো মানুষ।

শেরপুরের নকলা উপজেলার চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের চরমধুয়া গ্রামে গত এক সপ্তাহে মৃগী নদীর ভাঙনে অন্তত ৩৭টি বাড়ি ও অর্ধশত একর আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে আরও চার শতাধিক বাড়িঘর, মসজিদ, কমিউনিটি মেডিকেল সেন্টারসহ গ্রামের একমাত্র কাঁচা সড়কের বাকি অংশ।

শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত চৌধুরী জানান, তাৎক্ষণিকভাবে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন নিয়ন্ত্রণের কাজ চলছে। পাশাপাশি স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের আবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।