প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি, আবাদি জমি

নদী ভাঙনে দিশেহারা লালমনিরহাট, গোপালগঞ্জ, মোংলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা। প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে আবাদি জমি, ভিটেমাটিসহ নানা স্থাপনা। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ভাঙন ঠেকাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি স্থানীয়দের।

চোখের সামনে ফসলি জমি, ভিটে-মাটি আর পূর্ব পুরুষের কবরস্থানও চলে যাচ্ছে তিস্তার গর্ভে। 

লালমনিরহাট সদরের খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের খোলাহাটি খামারটারী এলাকায় তীব্র হয়েছে তিস্তার ভাঙন। শেষ আশ্রয়টুকু নদীগর্ভে হারানোর আশঙ্কায় দিন কাটছে নদী পাড়ের মানুষের। 

গোপালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আনিস হায়দার খান বলেন, ‘গোপালগঞ্জে বিভিন্ন নদ-নদীর ৪৬টি স্থানে ভাঙন ঠেকাতে কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।’  

মোংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেলে ভাঙনের কবলে রামপালের রোমজাইপুরসহ কয়েকটি গ্রাম। শেষ সম্বল হারিয়ে দিশেহারা উপকূলবাসী।

পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘রামপাল অংশে অতি দ্রুত পাইলিং বাঁধ নির্মাণ করা হবে।’

শুধু আশ্বাস নয়, নদী ভাঙন ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থার দাবি ভাঙনকবলিত এলাকার বাসিন্দাদের।