জমে উঠেছে চুয়াডাঙ্গার সরোজগঞ্জের খেজুর গুড়ের হাট। প্রতি বছরের শুরুতে বসে এ হাট। চাহিদা থাকায় দেশের বিভিন্ন জেলার ক্রেতারা আসেন এ হাট থেকে গুড় কিনতে। এবার দাম ভালো পাওয়ায় খুশি ব্যবসায়ীরাও।
কৃষি বিভাগের হিসেবে, চুয়াডাঙ্গায় রয়েছে তিন লাখ ৬৮ হাজার খেজুর গাছ। আর প্রতি মৌসুমে গুড় উৎপাদন হয় আড়াই হাজার মেট্রিক টন। শীতের শুরু থেকেই গাছিরা খেজুরের রস সংগ্রহ করে গুড় তৈরি করেন।
এ অঞ্চলের ঝোলাগুড় ও নলেন পাটালি বেচা-কেনার জন্য সদর উপজেলার সরোজগঞ্জের খেজুর গুড়ের হাট বরাবরই বিখ্যাত। তবে এ বছর শীত দেরিতে আসায়, হাটও জমেছে কিছুটা দেরিতে।
প্রতিবছর শীতে দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি খেজুর গুড় বেচাকেনা হয় সরোজগঞ্জ হাটে। স্বাদেগন্ধে এখানকার গুড় খুব সুস্বাদু হওয়ায় দেশের অন্যান্য জেলাতে এর চাহিদা অনেক। তাই প্রতি হাটেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ক্রেতা ভিড় করছেন সরোজগঞ্জে।
ব্যবসায়ীরা জানান, এ বছর ১০-১২ কেজি ওজনের গুঁড়ের হাড়ি বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে এক হাজার টাকায়। এতে তুলনামূলক দামও ভাল পাচ্ছেন কৃষকরা।
এদিকে, সরোজগঞ্জের প্রতি হাটে দেড় থেকে ২ কোটি টাকার গুঁড় বিক্রি হয় বলে জানিয়েছে জেলা বিপণন কার্যালয়।
প্রতি শুক্র ও সোমবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে ঐতিহ্যবাহী এ গুড়ের হাট। এ বছর গুড় বেচাকেনা চলবে মার্চ পর্যন্ত।
/এম-আই/