মাদারীপুরের শিবচর উপজেলাকে ঘিরে রেখেছে পদ্মা ও আড়িয়াল খাঁ নদী। একসময় এখানকার মানুষ কৃষি নির্ভর থাকলেও বর্তমানে পদ্মা সেতুকে ঘিরে সেখানে শুরু হয়েছে বেশ কয়েকটি মেগা প্রকল্পের কাজ। এসব প্রকল্প শেষ হওয়ার পর শিবচরের মানুষের জীবন জীবিকায় পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।
পদ্মা নদীর দুই প্রান্তে এক সময় মানুষের বসবাস ছিল না বললেই চলে। তবে, পদ্মা সেতুকে ঘিরে নানা মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরুর পর পাল্টাতে শুরু করেছে সেখানকার জীবনযাত্রার মান।
দেশের প্রথম সংস্কৃতি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য সম্প্রতি শিবচরের তিনটি জায়গা পরিদর্শন করেছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী।
এছাড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জমি নির্ধারণের জন্য এরই মধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাই শেষ হয়েছে। কুতুবপুরে শেখ হাসিনা তাঁতপল্লী ও টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, হাইটেক পার্ক, শিশু পার্ক তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য গড়ে তোলা হবে নার্সিং ইনস্টিটিউট, ট্রমা সেন্টার। এছাড়া মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, কর্মজীবি মহিলা হোস্টেল, ট্রেনিং ও ডেকেয়ার সেন্টার, শিল্পকলা একাডেমি ভবন ও মুক্তমঞ্চ, আধুনিক পৌর বাস টার্মিনাল ও বিশ্বমানের অলিম্পিক ভিলেজ নির্মাণের সিদ্ধান্তও নিয়েছে সরকার।
পদ্মা সেতু মূল প্রকল্পের কাজ প্রায় ৭৩ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। এই বিপুল কর্মযজ্ঞে খুশি স্থানীয়রা। সেতুটি চালু হলে বদলে যাবে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার আর্থসামাজিক কাঠামো।
বহুমুখী পদ্মা সেতু শুধুমাত্র দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল নয়, পুরো দেশের অর্থনীতিতেই ব্যাপক পরিবর্তন আনবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
/এম-আই/