নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তারা হলেন মুছাপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের একরামুল হকের ছেলে আনোয়ার হোসেন রিয়াদ(৩০) ও আলাউদ্দিনের ছেলে জালাল উদ্দিন মিস্টার(২৭)।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাদেকুর রহমান জানান, বুধবার বিকেলে জেলার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম এমদাদ হোসেন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আসামিদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
এর আগে আজ ভোররাতের দিকে পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে রিয়াদ ও মিস্টারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। দুপুরে তাদের জেলার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে পাঠানো হয়।
গত ১৪ জুন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নে স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া এক গৃহবধূ (১৮) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন। ওইদিন জেলা সদরের নোয়াখালী ইউনিয়ন থেকে মোটরসাইকেলযোগে কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর রেগুলেটর পর্যটন এলাকায় ঘুরতে যান ওই দম্পতি। এ সময় রিয়াদ, মিস্টার ও জাহাঙ্গীর নামে তিন যুবক দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে গৃহবধূর স্বামীকে মারধর করে। এক পর্যায়ে তারা স্বামীকে গামছা দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে বাগানের ভেতরে নিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় গত ১৮ জুন ভুক্তভোগীর স্বামী বাদী হয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার অপর আসামি জাহাঙ্গীরকে ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।