ভোলা-২ আসনে নির্বাচন ঘিরে প্রচারণায় প্রার্থীদের মধ্যে তেমন তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। ধানের শীষের প্রার্থী মাঠে থাকলেও জোটগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত না হওয়ায় এ আসনে জামায়াত কিংবা শরিক দলের প্রার্থী এখনো নির্ধারিত হয়নি।
নদীভাঙন প্রবণ এলাকা হওয়ায় নির্বাচন ঘিরে ভোটারদের রয়েছে নানা প্রত্যাশা। তাঁরা নদীভাঙন রোধ, টেকসই বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ এবং শিল্প-কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা চান।
জেলার দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিন উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ভোলা-২ আসন। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৫৪৫ জন; যার প্রায় অর্ধেকই নারী।
আসনটিতে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এলডিপি, এরশাদের জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, আমজনতা দল এবং স্বতন্ত্রসহ মোট ৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
বিএনপির দাবি, নির্বাচনকে বানচাল ও প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি মহল নেপথ্যে কাজ করছে। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিম বলেন, ‘দেশে পূর্ণাঙ্গ গণতান্ত্রিক পরিবেশ এখনো আসেনি। এই গণতন্ত্রের জন্য দীর্ঘ সাড়ে ১৬ বছর আওয়ামী লীগের শাসনামলে আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আন্দোলন করেছেন, জেল খেটেছেন। আমরাও জেল-জুলুমের শিকার হয়েছি।’
এলডিপির প্রার্থী মোঃ বশির আহমেদ জানিয়েছেন, জোটের প্রার্থী চূড়ান্ত হলে তাঁরা ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামবেন। তিনি বলেন, ‘জোট যাঁর বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে, আমরা তাঁর পক্ষেই নির্বাচন করব। জয়-পরাজয় বড় কথা নয়, আমরা চাই একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে।’
ভোটাররা চান, নির্বাচিত প্রতিনিধি যেন এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানে কার্যকর ভূমিকা রাখেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ এলাকা হওয়ায় এখানকার সাধারণ মানুষের মূল দাবি—এলাকার টেকসই উন্নয়ন।