পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টার সময় লিঙ্গ কর্তনের ঘটনায় একজনকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমান অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে পিরোজপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক মেহেদী আল মাসুদ এ রায় দেন।
আসামি আলমগীর হোসেন (৪৮) মঠবাড়িয়া উপজেলার কচুবাড়িয়া এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা। রায় প্রকাশের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, আসামি আলমগীর হোসেন বিভিন্ন সময় ভিকটিমকে উত্যক্ত করতেন। এরই ধারাবাহিকত ২০২০ সালের পহেলা জানুয়ারি প্রবাসীর স্ত্রী ভিকটিকে রাতে একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে ভিকটিম আত্মরক্ষার জন্য ছুরি দিয়ে আসামির লিঙ্গে আঘাত করলে কিছুটা কেটে যায়। পরবর্তীতে হাসপাতালে তার লিঙ্গ কর্তন অংশ বিচ্ছিন্ন করা হয়। ৭ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে ভিকটিম বাদী হয়ে মঠবাড়িয়া থানায় ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট রহিমা আক্তার হাসি বলেন, ‘মঠবাড়িয়া ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত আলমগীর হোসেনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায় প্রকাশে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করছে। আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।’