প্রতিদ্বন্দ্বিতা কম থাকায় খাগড়াছড়িতে ভোটারদের কেন্দ্রে নিয়ে আসাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। কোনো আঞ্চলিক সংগঠন অংশ না নেওয়ায় কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার আশঙ্কা আছে। তবে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়াতে কাজ করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।
নয় উপজেলা নিয়ে খাগড়াছড়িতে একটি মাত্র সংসদীয় আসন। আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফ নির্বাচনে না আসায় এবং একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী সমীর দত্ত চাকমার মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় নির্বাচনের প্রতিযোগিতা অনেকটাই কমে গেছে। আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছাড়া অন্য তিন প্রার্থীর তেমন প্রচার নেই। শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার আশঙ্কা করছে নাগরিক সমাজ।
খাগড়াছড়ি জেলা সাংবাদিক ইউনিয়ন সভাপতি তরুণ কুমার ভট্টাচার্য জানান, আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্যদের তৎপরতা নেই। আঞ্চলিক সংগঠনের প্রার্থীও নেই। এ অবস্থায় ভোটারদের উপস্থিতি একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে সংগঠনের চার নেতাকে হত্যার প্রতিবাদে পানছড়ি উপজেলায় ভোট বর্জনের ডাক দিয়েছে ইউপিডিএফ। তবে এতে তেমন প্রভাব পড়বে না বলে দাবি করছে ক্ষমতাসীন দল।
খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগ দপ্তর সম্পাদক চন্দন কুমার দে বলেন, 'ভোটার বাড়ানোর জন্য কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক দুইশ জন ভোটারের জন্য আমরা একজন কর্মী নিয়োগ করব। তাদের কাজ হল দুইশ ভোটারকে ভোট কেন্দ্রে আসার জন্য উৎসাহিত করবে।'
খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশুতোষ চাকমা বলেন, আঞ্চলিক সংগঠন ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানাতে পারে। কিন্তু এই আহ্বানে তেমন প্রভাব পরবে না। জনগণ অবশ্যই স্বতস্ফূর্তভাবে আমাদের ভোট দেবে।
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে ভোটের দিন কেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদার করতে কাজ করছে প্রশাসন।
খাগড়াছড়ির রির্টানিং কর্মকর্তা মো. সহিদুজ্জামান বলেন, 'নির্বাচন সুষ্ঠু করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। সেনাবাহিনী, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগসহ সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।'
খাগড়াছড়িতে মোট ভোটার পাঁচ লাখ ১৫ হাজার চারশ ১৯ জন। যার অর্ধেকই পাহাড়ি ভোটার।