লক্ষীছড়িতে সাফ জয়ী মনিকা চাকমাকে সংবর্ধনা

সাফ জয়ী জাতীয় দলের ফুটবলার মনিকা চাকমাকে সংবর্ধনা দিয়েছে খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলা প্রশাসন। বুধবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। 

সম্প্রতি নেপালকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সাফ নারী চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ নারী ফুটবল টিম। টিমের অন্যতম খেলোয়াড় খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার দুর্গম জনপদ সুমন্ত পাড়ার ফিফার  ‘ম্যাজিকেল চাকমা’ খ্যাত মনিকা চাকমা। 

নিজ উপজেলা সংবর্ধনা পেয়ে খুশি মনিকা। এসময় তিনি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

এসময় মনিকার চাকমার পরিবারের সদস্য ছাড়াও লক্ষীছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেটু কুমার বড়ুয়া। খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ সদস্য অনিমেয় চাকমাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, লক্ষীছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ মু. খালেদ, প্রেসক্লাব সভাপতি মো. মোবারক হোসেন, লক্ষ্মীছড়ি সরকারি মডেল উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিক, ইউপি চেয়ারম্যান প্রবিল কুমার চাকমা, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক রুপন চাকমা প্রমুখ।

এসময় বক্তারা মনিকা চাকমা ও তার বাবা মাকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, মনিকা চাকমা শুধু লক্ষীছড়ির গর্ব না, সে সারা দেশের গর্ব। তাঁর ধারাবাহিক অর্জনে তারা লক্ষীছড়ির সর্বস্তরের মানুষ উচ্ছ্বসিত। কিন্তু মনিকা চাকমার বাড়ি উপজেলার দুর্গম পশ্চাৎপদ জনপদে হওয়ায় তার বাড়িতে যেতে নেই সড়ক, নেই কালভার্ট, নেই কোনো ইন্টারনেট সুবিধা। ২০২২ সালে মনিকা চাকমা প্রথম সাফ জয়ী শেষে বাড়িতে আসার পর অনেকেই আশার কথা শুনিয়েছেন। কিন্তু সে আশা আলো দেখেনি।

বক্তব্যে মনিকা চাকমা বলেন, ‘আমি সত্যিই অভিভূত। আমি দেশের জন্য, আপনাদের জন্য খেলছি। বাংলাদেশকে আরও বিজয় উপহার দিতে চাই।’

অনুষ্ঠানের শুরুতে উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা ও বিভিন্ন ক্লাব, সরকারি-বেসরকারি সংস্থা মনিকা চাকমাকে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এসময় মনিকা চাকমার বাবা-মাকেও সম্মাননা দেওয়া হয়।