রাজনৈতিক ও আধিপত্য বিস্তারের জেরেই রাউজানে যুবদল কর্মী আলমগীর আলমকে হত্যা করা হয়েছে। পরিকল্পিতভাবেই তাঁকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি পরিবারের। জড়িতদের গ্রেপ্তারে যৌথ অভিযানের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
হত্যার কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই মৃত্যুর শঙ্কায় ছিলেন রাউজানে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত যুবদল কর্মী আলমগীর আলম। প্রতিপক্ষের সশস্ত্র মহড়ায় আতঙ্কিত ছিলেন তিনি। এ নিয়ে প্রতিপক্ষ বখতিয়ারকে ফোনও করেন তিনি। হত্যার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে সেই ভিডিও।
পরিবারের দাবি, রাজনৈতিক ও অধিপত্য বিস্তারের জেরেই হত্যা। রায়হান ও বখতিয়ার সরাসরি হত্যায় জড়িত বলে অভিযোগ স্বজনদের।
আহাজারি করে আলমগীরের স্ত্রী বলেন, ‘আমার স্বামীকে অনেক দিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছিল। এখন ছেলের নিরাপত্তা নিয়েও দুশ্চিন্তায় আছি।’
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল জানান, পরিকল্পিতভাবেই হত্যা করা হতে পারে আলমগীরকে। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে যৌথ অভিযানের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
রাউজানে একের পর এক হত্যার ঘটনায় উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা। গত ৫ আগস্টের পর থেকে রাউজানে ১৭টি হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে ১২টি রাজনৈতিক। এছাড়া আধিপত্য বিস্তারের জেরে অন্তত শতাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।