চাঁদপুর থেকে ঢাকাসহ বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী বেশিরভাগ বাসেরই নেই রুট পারমিট বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। বৈধ এবং অবৈধ পরিবহনের দ্বন্দ্বে বাড়ছে যাত্রীদের ভোগান্তি, সরকারও হারাচ্ছে বছরে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব। জেলা প্রশাসন বলছে, অবৈধ বাসের তালিকা তৈরি করে শিগগিরই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চাঁদপুর থেকে ঢাকাসহ বিভিন্ন রুটে প্রতিদিন প্রায় যাতায়াত করে সাত শতাধিক যাত্রীবাহী বাস। পরিবহন সংশ্লিষ্টদের দাবি, অর্ধেকের বেশি বাসের বৈধ রুট পারমিট, ফিটনেসসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেই।
অভিযোগ রয়েছে, ১০ থেকে ১২টি বাসের অনুমোদন নিয়ে অনেক পরিবহন ৪০ থেকে ৫০টি বাস চালাচ্ছে। ফলে বৈধ-অবৈধ পরিবহনের দ্বন্দ্বে ব্যাহত হচ্ছে ঢাকা-চাঁদপুর ও হাজীগঞ্জ-কচুয়া-গৌরীপুর-ঢাকা রুটে বাস চলাচল। চরম দুর্ভোগে যাত্রী ও শ্রমিকরা।
বিআরটিএর কাছে বৈধ রুট পারমিট ও ফিটনেসধারী বাসের পরিসংখ্যান নেই। তবে জেলা প্রশাসনের বিশেষ অনুমোদনে মাত্র ৩৪টি বাস চলাচলের তথ্য রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, নজরদারির অভাবেই অবৈধ বাস চলাচল করছে।
অবৈধ বাসের তালিকা প্রস্তুত করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থার আশ্বাস জেলা প্রশাসকের।
চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান বলেন, ‘দ্রুতই অবৈধ বাসের তালিকা তৈরি করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
আইন অনুযায়ী, যাত্রীবাহী বাসের রুট পারমিট, ফিটনেস ও অন্যান্য ফি বাবদ প্রতি বছর সরকারকে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হয়। অবৈধ বাসের কারণে শুধু চাঁদপুরেই বছরে প্রায় ৩ থেকে ৪ কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হয়।