পঞ্চগড়ের সাতমেরায় চা নার্সারিকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন কর্মসংস্থান। কৃষিশ্রমিক থেকে বেকার যুবক, ক্ষুদ্র কৃষক এমনকি শিক্ষার্থীরাও যুক্ত হচ্ছেন চায়ের চারা উৎপাদন ও পরিচর্যায়। চায়ের চারার বাড়তি চাহিদা থাকায় বাড়ছে মানুষের আয়, কর্মসংস্থান ও স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ। আর এসব নার্সারি স্থানীয় অর্থনীতিতে যোগ করছে নতুন সম্ভাবনা।
কাঁচা চায়ের পাতার কেজি ১২ টাকা থেকে বেড়ে ৫০ টাকা হওয়ায় নতুন বাগান তৈরির আগ্রহ বাড়ছে পঞ্চগড়ে। সেই সঙ্গে বাড়ছে চারার চাহিদাও। বাড়তি চারা যোগান দিতে জেলার সাতমেরা ইউনিয়নের লইপাড়া, বিরাজোত, পাতিপাড়া ও বন্দিপাড়াসহ আশপাশের এলাকায় গড়ে উঠেছে পাঁচ শতাধিক চা নার্সারি।
চা গাছের প্রতিটি চারা উৎপাদন ও পরিচর্যায় খরচ হয় ৩ থেকে ৫ টাকা। আর তা বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়। নার্সারিগুলোতে শুধু কৃষিশ্রমিকরাই নয় শিক্ষিত বেকার যুবকরা ঝুঁকছেন বাণিজ্যিক নার্সারি স্থাপনের দিকে। অবসর সময়ে কাজ করে ভাল আয় করছেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও।
পঞ্চগড় পঞ্চগড় আঞ্চলিক চা বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমির হোসেন বলেন, ‘চায়ের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত হওয়ার পর থেকে এলাকায় নতুন নতুন চা বাগান বাড়ার পাশাপাশি নতুন উদ্যোক্তারা আসছেন নার্সারি তৈরিতে।’
দেশের তৃতীয় এই চা অঞ্চলের নার্সারিগুলো চা চাষের সম্প্রসারণ ও স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।