পর্যটকের অপেক্ষায় প্রস্তুত সেন্টমার্টিন

দীর্ঘ অপেক্ষার পর আবারও পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হতে যাচ্ছে একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে কক্সবাজারের নুনিয়াছড়া ঘাট থেকে জাহাজ চালুর প্রস্তুতি নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। দিনে প্রায় সাড়ে তিন হাজার পর্যটক পরিবহনের পরিকল্পনা থাকলেও এখনো মেলেনি চূড়ান্ত ছাড়পত্র। নুনিয়াছড়া ঘাটের সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন ট্যুর অপারেটরদের। 

নীল জলরাশি আর প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ঘেরা দ্বীপ, সেন্টমার্টিন। পরিবেশ সংরক্ষণে কড়াকড়ির কারণে ২০২৫ সালে পর্যটক কম যাওয়ায় লোকসানে পড়েন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তবে এবার নিয়ম কিছুটা শিথিল করে দ্বীপে রাতে থাকার সুযোগ দেয়ায় আশার আলো দেখছেন পর্যটনসংশ্লিষ্টরা। 

কক্সবাজার শিপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হুসাইন ইসলাম বাহাদুর বলেন, ‘নুনিয়াছড়া ঘাট থেকে প্রতিদিন ৮-১০টি জাহাজে সাড়ে তিন হাজার পর্যটক পরিবহনের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে, বৃহস্পতিবার থেকে যাত্রা শুরুর কথা থাকলেও চূড়ান্ত ছাড়পত্র না মেলায় রয়েছে অনিশ্চয়তা।’ 

কক্সবাজার ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আনোয়ার কামাল বলেন, ‘নুনিয়াছড়া ঘাট পর্যটক ও জাহাজের চাপ সামলাতে সক্ষম নয়। হিমছড়ি থেকেও জাহাজ চলাচলের অনুমতি দরকার।’

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার মোতাসিম বিল্লাহ ফারুকী বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষায় এবারও ট্রাভেল পাস নেয়াসহ নানা বিধিনিষেধ বহাল থাকবে।’

চলতি মৌসুমে প্রায় চার লাখ পর্যটক সেন্টমার্টিন যাবেন বলে আশা ব্যবসায়ীদের।