ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে উৎসবমুখর শরীয়তপুর। তবে উপজেলা সদর থেকে বিচ্ছিন্ন এবং যোগাযোগব্যবস্থা ভালো না থাকায় নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় শরীয়তপুর-১ ও ২ আসনের তিনটি ইউনিয়নের ভোটারেরা। পুলিশ জানিয়েছে, চরাঞ্চলের ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছে যৌথ বাহিনী।
শরীয়তপুরের তিনটি নির্বাচনী এলাকার মধ্যে শরীয়তপুর-১ (পালং-জাজিরা) ও ২ (নড়িয়া-সখিপুর) আসনের তিনটি ইউনিয়ন পদ্মা নদীবেষ্টিত। মূল ভূখণ্ড থেকে একেবারে বিচ্ছিন্ন এই চরাঞ্চল। এ দুটি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার ৮ লাখ ১০ হাজার ৫০১ জন। যার মধ্যে ৩ লাখ ৮৭ হাজার ১১০ জন নারী। এখানকার বাসিন্দাদের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম নৌকা।
উপজেলা সদর থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ায় কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পৌঁছাতে পারে না আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাই ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা। আগের নির্বাচনগুলোতে বিশৃঙ্খলার নজির থাকায় এবারও নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় তাঁরা। বলছেন, ভোট ঘিরে চরাঞ্চলের মানুষের নিরাপত্তা প্রচন্ড ঝুঁকিতে রয়েছে। এ ছাড়া এ এলাকায় কেন্দ্রগুলোও অনেক দূরে। ভোট দিতে অনেক দূরে যেতে হয়। সেই ব্যাপারেও দৃষ্টিপাত জরুরি।
তবে পুলিশ বলছে, চরাঞ্চলের ভোটারদের নিরাপত্তায় প্রস্তুত যৌথবাহিনী।
শরীয়তপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তানভীর হোসেন বলেন, ‘নিরাপত্তা জোরদারে পুলিশের অতিরিক্ত টহল চলমান রয়েছে। নিরাপত্তা রক্ষায় আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করছি।’