সাভার থেকে বোমাসদৃশ প্রেসার কুকারের সন্ধান পেয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। প্রেসার কুকারটিতে প্রকৃতপক্ষে কোনো বোমা রয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হতে ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার সকালে স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে সাভার মডেল থানা-পুলিশ সাদাপুর গোপের বাড়ি লালটেক ঘোড়া মসজিদের মাঠ থেকে বোমাসদৃশ প্রেসার কুকারটি উদ্ধার করেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গতকাল মধ্য রাতে অজ্ঞাতনামা ৩ ব্যক্তি মসজিদের মাঠে নীল রঙের একটি প্লাস্টিকের ড্রাম রেখে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা ড্রাম খুলে কাপড়চোপড়, কোরআন শরিফ ও বোমা সদৃশ প্রেসার কুকার দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা সকালে সাভার মডেল থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে বোমা সদৃশ প্রেসার কুকারটি নিরাপদস্থানে রেখে দিয়ে পরীক্ষার জন্য ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেয়।
সাভার থেকে বোমাসদৃশ প্রেসার কুকারের সন্ধান পেয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের। প্রেসার কুকারটিতে প্রকৃতপক্ষে কোনো বোমা রয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হতে ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সাভারের দক্ষিণ শ্যামপুরের একটি ভবনে অভিযান চালিয়ে পাইপবোমা ও ককটেল মিলিয়ে মোট ১৪টি বোমা ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম জব্দ করেছে পুলিশ। অভিযান শেষে ৫টি বোমা ঘটনাস্থলেই নিষ্ক্রিয় করে ডিএমপির বম্ব ডিসপোজাল টিম।
গত ডিসেম্বরে কেরানীগঞ্জে বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণ এবং সম্প্রতি মতিঝিলে বোমা উদ্ধারের সাথে এই বোমা তৈরির সম্পর্ক থাকতে পারে, বলছে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম ইউনিট।
এর আগে গত ৩১ জুলাই সাভারের পার্শ্ববর্তী আশুলিয়ায় একটি মুদিদোকানের সামনের বেঞ্চে ফেলে রাখা একটি ব্যাগের ভেতরে বোমাসদৃশ প্রেশার কুকার পাওয়া যায়। ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এসে সেটি বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করেছিল।