এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় একজনকে খুঁজছে পুলিশ 

ন্যাম ভবন থেকে বহিষ্কৃত জামায়াত নেতা ও সাতক্ষীরার সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নজরুল এবং তার প্রথম স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আত্মহত্যা প্ররোচণার মামলায় তাদেরকে আদালতে তোলা হবে আজ।

এছাড়া মামলার আরেক আসামি দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে খুঁজছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য মরিয়মের মরদেহ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

এমপি গাজী নজরুল ইসলামের দাবি অনুযায়ী, প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমের সম্মতিতে ১৭ জুন পারিবারিকভাবে মরিয়ম খাতুনের সাথে তার বিয়ে হয়। 

রোববার বিকেলে সেই মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার হয় রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে এমপিদের বাসস্থান, ন্যাম ভবন থেকে। ৫ নম্বর ভবনের দোতলায় ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল মরিয়মের মরদেহ। ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে পুলিশ ও সিআইডি। 

দুই স্ত্রীকে নিয়ে এই ফ্ল্যাটেই থাকতেন এমপি নজরুল। মরিয়মের মৃত্যুর কথা এমপি নজরুলই তার নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে জানান। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার পর তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

ডিএমপির তেঁজগাও বিভাগের ডিসি বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলা হয়েছে। মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। 

২০ জুলাই মরিয়মের সাথে ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর অন্য নারীর সাথেও গাজী নজরুলের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও প্রকাশ হয়। এসব ঘটনায় নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ায় ২২ জুলাই নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াতে ইসলামী। নির্বাচন কমিশনকেও বিষয়টি জানানো হয়। তবে তার সংসদ সদস্য পদ বহাল আছে।