এদিকে শ্রমিকদের অবরোধের কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকদের অবস্থানের পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোর গেটেও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে থানা পুলিশ ও শিল্প পুলিশ।
বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশসহ ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া মাঠে কাজ করছেন জেলা প্রশাসনের ২১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
আন্দোলনরত শ্রমিকেরা জানান, নিত্যপণ্যের সবকিছুর দাম বেশি। একটি গ্যাসের সিলিন্ডার কিনতে হয় ২ হাজার ৫০০ টাকায়, বাসা ভাড়া দিতে হয় ৫ হাজার। মজুরি বোর্ড গঠন করলেই হবে না, তাঁদের বেতন কত করা হয়েছে তার ঘোষণা দিতে হবে। সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা করতে হবে। তারা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করেছেন। কারখানা ভাঙচুর ও আগুন দিয়েছে বহিরাগতরা। তাদের দাবি, দুর্বৃত্তরা তাদের মধ্যে ঢুকে পরিস্থিতি খারাপ করেছে।
গাজীপুর শিল্পাঞ্চল-২ এর পুলিশ সুপার আমজাদ হোসাইন বলেন, শ্রমিক আন্দোলনের কারণে গতকাল গাজীপুরে শতাধিক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। আজও বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিক বিক্ষোভ চলছে। তবে সোমবার মোট কতটি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি তবে বেশিরভাগ কারখানায় ছুটি হয়েছে।
এছাড়া কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় ট্রপিকাল নিটেক্স লিমিটেডের নামে একটি কারখানার গোডাউনে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ থেকে কোনাবাড়ি এলাকা পর্যন্ত শতাধিক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। এসময় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ২০ জনকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে বিকেল ৩টার দিকে শ্রমিকদের সরিয়ে দেওয়া হলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।