'অনিয়ম খতিয়ে দেখতে শিগগিরই মাঠে নামছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ'

এফ আর টাওয়ারে আগুনের পর উদ্বেগে আশপাশের ভবনে কর্মরত ও স্থানীয়রা। তারা বলছেন, বহুতল এই ভবনগুলো একটি আরেকটির সঙ্গে যুক্ত থাকায়, একটিতে দুর্ঘটনা ঘটলে সমান ঝুঁকিতে পড়বে অন্যগুলোও। জবাবে উত্তর ঢাকার মেয়র বলছেন, নকশা, অগ্নি-নিরাপত্তাসহ নানা দিক খতিয়ে দেখতে শিগগিরই মাঠে নামছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কামলা আতাতুর্ক এভিনিউয়ের এই দৃশ্যে বোঝার উপায় নেই এখানে ভবনের সংখ্যা কত। মনে হতে পারে দাঁড়িয়ে আছে বিশাল একটি ইমারত। তবে পুড়ে যাওয়া এফ আর টাওয়ারসহ এখানে ভবন আছে ৮টি ভবন রয়েছে। তবে বেশিরভাগই একটি আরেকটির সঙ্গে যুক্ত। ফাঁকা নেই এক ইঞ্চিও।

১৫ থেকে ২০ তলার উঁচু এসব ভবনে চলাচলের পথও সংকীর্ণ। প্রতিদিন শত শত মানুষের যাতায়াত থাকলেও সিড়িগুলো এতই সরু যে, দুজন একসঙ্গে নামাই অসম্ভব। নেই কার্যকর আগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা ও পানির যোগান।

শুক্রবার এসব ভবনের বেশিরভাগ অফিস বন্ধ থাকলেও ছুটে এসেছেন অনেকেই। তাদের শঙ্কা, ঝুঁকিতে থাকা অন্য ভবনগুলোতেও অগ্নি নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে, ঘটতে পারে আরো বড় দুর্ঘটনা।

বনানীসহ রাজধানীর অন্যান্য অংশের বহুতল ভবনের নকশা ও অগ্নি-নিরাপত্তাসহ নানা দিক খতিয়ে দেখতে শিগগিরই মাঠে নামছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কামাল আতাতুর্ক এভিনিউয়ের বেশ কটি ভবনের অগ্নিনিরাপত্তা নিয়ে কথা বলতে চাইলে সাড়া দেননি দায়িত্বরতরা।

/এইচ.এ/