বৃক্ষমেলায় চাহিদা বেশি বিদেশি জাতের ফলদ গাছের

জাতীয় বৃক্ষমেলায় বেশি বিক্রি হচ্ছে দেশি-বিদেশি ফলের গাছ। আর চাহিদা বেশি বিদেশি জাতের উচ্চফলনশীল ফলদ গাছের চারার। বন বিভাগের হিসাবে এ পর্যন্ত বিক্রি ১৩ কোটি টাকার। তাই মেলার সময় বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন নার্সারি মালিকরা।

প্রতিবছরের মতো রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী বৃক্ষমেলা। এবারের জাতীয় বৃক্ষমেলার প্রতিপাদ্য ‘গাছ লাগিয়ে যত্ন করি, সুস্থ প্রজন্মের দেশ গড়ি’। মেলার বিভিন্ন স্টলে সারি সারি সাজানো রয়েছে বনজ, ফলদ, সবজি, ঔষধিসহ দেশি-বিদেশি নানান প্রজাতির গাছ।

রাজধানীতে গাছ লাগনোর জায়গা কম। বাড়ির ছাদই একমাত্র ভরসা। তাই ছাদ বাগান সাজাতে ৫ হাজার টাকার গাছ কিনেছেন ফরিদা হক। এর মধ্যে আছে আম, পেয়ারা, ডালিম, লিচুসহ নানা রকম গাছ।

বরিশাল নার্সারির স্বত্বাধিকারী মো. ইব্রাহীম বলেন, বৃক্ষমেলায় দেশীয় পাশাপাশি বিক্রি হচ্ছে বিদেশি ফলের গাছ। ভিয়েতনামের জিনতারা লং আম এসেছে এবারই প্রথম। নার্সারিতে ৩ বছর পরীক্ষানিরীক্ষার পর-- সিঁদুর রঙা এই আম পেয়েছে জনপ্রিয়তা।

বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক শামসুন্নাহার শ্রাবণী বলেন, বিক্রি ভালো উচ্চফলনশীল বিদেশি ফল- রামভুটান, এভোকাডো, বড় জাম, বীজহীন লিচুরও। বন বিভাগের হিসাবে এ পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে ১৮ লাখ চারা, আর এর বাজার মূল্য প্রায় ১৩ কোটি টাকা। সেজন্যই চলছে মেলার সময় বাড়ানোর চিন্তা।

মেলায় গাছ ছাড়াও রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচর্যার জন্য পাওয়া যাচ্ছে নানা উপকরণ। আগামী ১২ জুলাই শেষ হবে এ বৃক্ষমেলা।