শীতের শুরুতেই বেনাপোলে ভ্রাম্যমাণ মৌসুমি পিঠাপুলির পসরা

মৌসুমি পালাবদলের সঙ্গেই বাড়ছে শীত ও কুয়াশা। আর এ সময় বাড়ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী শীতের পিঠার কদর ও চাহিদা। তাইতো সকাল ও সন্ধ্যায় বেনাপোলের নাভারন ও বাগআচড়া বাজারের সড়কের পাশেই বসছে গরম ভাপা (ধুপি) ও চিতই পিঠা, পাটিসাপটা ও পাকোন পিঠার পসরা।

পিঠা ক্রেতারা জানান, চালের গুড়া, গুড়, নারকেল ও তেল দিয়ে তৈরা করা হয় শীতের নানা পিঠা। মৌসুমি ব্যবসায়ীরা এসব পিঠা তৈরি করে বিক্রি করছেন অনেকেই, আসছেন ভ্রাম্যমাণ এসব পিঠার দোকানে। ক্রেতারাও এসব পিঠা খাচ্ছেন, নিয়ে যাচ্ছেন পরিবারের জন্য।

মৌসুমি পিঠা বিক্রেতারা বলছেন, শীত এলেই বাড়ে গ্রাম বাংলার নির্ভেজাল সুস্বাদু সব পিঠার কদর ও চাহিদা। তাইতে শীতের সময় স্বল্প খরচে এসব পিঠা তৈরি করে সংসারে আসে বাড়তি আয়। তিন থেকে চার মাস ধরে তাদের উপার্জন হয় ভাল। ফলে শীতের সময় পিঠা বিক্রি করে খুশি তাঁরা।

বেনাপোল পৌরসভার স্যানিটারি পরিদর্শক রাসেদা খাতুন বলেন, শীত এলেই বেনাপোল পৌর এলাকায় শহরের পাশেই কিছু বিক্রেতা বসান বিভিন্ন ধরনের পিঠার দোকান। নিরাপদ খাদ্য পরিবেশনের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধিসহ নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে।