মোংলায় কোস্টগার্ডের স্টেশনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় আটক ৬

মোংলার সুন্দরবনের জয়মনিরঘোলে কোস্টগার্ডের হাড়বাড়িয়া স্টেশনে দুর্বৃত্তদের হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। মামলায় ৪৪ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ২৫০-৩০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। 

এই মামলায় শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত ৬ জন আসামিকে আটক করেছে যৌথবাহিনী। বাকি আসামিদের আটকে যৌথবাহিনীর অভিযান চলছে।  

মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মানিক চন্দ্র গাইন জানান, বৃহস্পতিবার সকালে মোংলার জয়মনির ঘোল এলাকায় অবস্থিত কোস্টগার্ড স্টেশনে একদল দুর্বৃত্ত অতর্কিত হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ ঘটনায় কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের হলে ৬ জনকে আটক করা হয়। 

আটকরা হলেন মুক্তা খাতুন, লিজা ইসলাম, তাসলিমা বেগম, সুলতান শেখ, মহারাজ খান  ও মো. শাহজালাল ফরাজী।

কোস্টগার্ড পশ্চিমের জোনাল কমান্ডার এম. মিসবাউল ইসলাম জানান, মোংলার জয়মনির ঘোল এলাকা দীর্ঘদিন ধরে বনদস্যু ও তাদের সহযোগীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত হওয়ায় ওই এলাকায় কোস্টগার্ড স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে বনদস্যুদের কাছে রসদ, লজিস্টিক সহায়তা, অস্ত্র ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহের পথ কার্যকরভাবে বাধাগ্রস্ত হওয়ায় তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই বনদস্যু ও তাদের সহযোগীরা ওই এলাকায় কোস্টগার্ডের স্টেশন ও কোস্টগার্ডের উপস্থিতি চায় না। সেজন্যই দস্যুতা ও দস্যু পরিবারের সাথে জড়িত দুর্বৃত্তরা কোস্টগার্ড স্টেশনে এ হামলা চালিয়েছে।