কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন অফিস

৮ মাস ধরে ঝুলে আছে ১১৫ পদের নিয়োগ

৮ মাস ধরে ঝুলে আছে কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন অফিসের ১১৫টি পদের নিয়োগ। প্রশ্নফাঁস ও দুর্নীতির অভিযোগ আসায় এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও দুদক। তবে দীর্ঘদিনেও বিষয়টির নিষ্পত্তি না হওয়ায় ঝুলে আছেন নিয়োগ প্রত্যাশীরা। ভুক্তভোগীরা বলছেন, অনিয়মের প্রমাণ মিললেও তদন্তের দীর্ঘসূত্রিতার কারণে জড়িতরা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছেন।

কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন অফিসের ১১৫টি শূন্য পদে নিয়োগ পরীক্ষা হয় গত অক্টোবরে। চাকরি প্রত্যাশীরা প্রশ্নফাঁসসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে আন্দোলনে নামলে ফলাফল স্থগিত করে কর্তৃপক্ষ। ঘটনা তদন্তে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কমিটির পাশাপাশি মাঠে নামে দুদক। 

তবে গত ৮ মাসেও এসব তদন্ত আলোর মুখ দেখেনি। প্রশ্নফাঁস ও জালিয়াতিতে জড়িত হিসেবে স্বাস্থ্য সহকারী হাসান ঈমামসহ বেশ কয়েকজন সরকারি কর্মচারীর নাম উঠে আসে। অনিয়ম প্রমাণ করে এমন কিছু ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে দীর্ঘদিনেও দুর্নীতির অভিযোগের সুরাহা না হওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন জানায়, নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এখনও তদন্ত করছেন কেন্দ্রীয় অফিসের কর্মকর্তারা। আর সিভিল সার্জন বলছেন, বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের হাতে রয়েছে। 

দুদক উপ-পরিচালক মাঈনুল ইসলাম রওশনী বলেন, ‘অনিয়মের অভিযোগ এখনও তদন্ত করছেন কেন্দ্রীয় অফিসের কর্মকর্তারা।’

কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন শেখ মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি এখন মন্ত্রণালয়ের হাতে।’

সম্প্রতি কুষ্টিয়া সফরে এসে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখওয়াত হোসেন জানান, অন্যান্য জেলাতেও অনিয়ম হওয়ায় নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ফলাফল বাতিল করে নতুন পরীক্ষার মাধ্যমে দ্রুত কর্মী নিয়োগের দাবি ভুক্তভোগীদের।