জামালপুরের ইসলামপুরে এক স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এদিকে এই মামলার প্রধান আসামি সাদিককে খালাস প্রদান করেছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১ এর বিচারক আব্দুর রহিম এই রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন–মো. শিপন, ইব্রাহিম ও ইউসুফ। আসামিদের বাড়ি জেলার ইসলামপুর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের শীলদহ গ্রামে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১ এর পাবলিক প্রসিকিউটর ফজলুল হক।
এই আইনজীবী জানান, ইসলামপুরের শিলদহ এলাকায় চাচাতো ভাই সাদিকের সঙ্গে স্কুলছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক হয়। ২০২৪ সালের ১৯ এপ্রিল রাত ৯টার দিকে সাদিক স্কুলছাত্রীকে ডেকে একটি জঙ্গলে নিয়ে যান এবং ধর্ষণ করেন। ঘটনাস্থলের পাশেই ওৎপেতে থাকা শিপন, ইব্রাহিম ও ইউসুপ আসলে সাদিক দৌড়ে পালিয়ে যান। পরে তারাও স্কুলছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
ফজলুল হক আরও জানান, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় প্রথমদিকে না পারলেও পরে গ্রামবাসীর সহায়তায় ঘটনার ১৬ দিন পর ইসলামপুর থানায় ৪ জনের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা। পরে গ্রেপ্তার আসামিরা আদালতে বিচারকের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। মামলা দায়েরের দুই বছর পর ৯ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। তবে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় প্রধান অভিযুক্ত ও ভুক্তভোগীর চাচাতো ভাই সাদিককে খালাস প্রদান করেছেন আদালত।