পাবনা শহরে তিন ঘণ্টার ব্যবধানে দুই হত্যাকাণ্ড ঘিরে উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা। এর মধ্যে সোমবারের ঘটনায় মামলা করেছে দুই পরিবার। পুলিশ বলছে, কলেজছাত্র মনিরুলকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় আরেক কলেজছাত্রকে আটক করা হয়েছে। তবে সাবেক চরমপন্থী নেতা আলী হোসেনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় এখনো আটক করা যায়নি কাউকে।
সন্তানকে দিয়ে আসতে সন্ধ্যা ৭টার দিকে মোটরসাইকেলে করে পাবনার জামিয়া আশরাফিয়া মাদ্রাসার সামনে যান আলী হোসেন। এ সময় অপেক্ষারত আততায়ীরা গুলি চালালে সন্তানের সামনেই লুটিয়ে পড়েন তিনি।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ। পূর্ব শত্রুতার জেরে আলী হোসেনকে হত্যা করা হয়েছে, বলছে পরিবার। এলাকাবাসীর দাবি, নিহত ব্যক্তি পূর্ববাংলা সর্বহারা পার্টির নেতা ছিলেন।
প্রাথমিক তদন্তে এ হত্যাকাণ্ডে পূর্ব শত্রুতার কিছু তথ্য পাওয়া গেছে, জানিয়েছে পুলিশ। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
পাবনা সদর থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আর দুটি হত্যারই কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
এদিকে সোমবার বিকেলে শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় মনিরুল ইসলাম নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত করে দুর্বৃত্তরা। গুরুতর আহত অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। ঘটনা তদন্ত করছে পুলিশ।