কুড়িগ্রামে নিখোঁজের সাত দিন পর পৌর শহরের একটি পুকুরে থেকে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার বিকেলে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রুহুল আমিন।
জানা গেছে, নিহত ওই প্রকৌশলীর নাম মাহমুদুল ফেরদৌস মামুন (২৬)। তিনি রাজারহাট উপজেলার ছিনাইহাট গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ছবরুল হকের ছেলে।
নিহতের পরিবার জানায়, মামুন কিছুদিন আগে ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্বিবদ্যালয় থেকে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করেছে। এর মধ্যে গত ৯ অক্টোবর থেকে নিখোঁজ হয় মামুন। ওইদিন সন্ধ্যায় মামুন তার বড় ভাই মাহবুবুল ফেরদৌস রতনকে মুঠোফোনে জানায় তাঁকে কয়েকজন আটকিয়ে রেখে ৫ হাজার টাকা দাবি করছেন। পরে তাঁর ভাই টাকা পাঠানোর জন্য যোগাযোগ করতে চাইলে, আর যোগাযোগ করতে পারেননি। এঘটনায় রাজারহাট থানায় সাধারণ ডাইরি জিডি করা হয়।
পরে জিডির সূত্র ধরে পুলিশ গতাকাল রোববার (১৫ অক্টোবর) রাতে ৩ জনকে আটক করলে একটি মামলা করা হয়। আটককৃতদের দেওয়া তথ্যের সূত্র ধরে পুলিশ জানতে পারে ৯ অক্টোবর সন্ধ্যায় মামুনসহ কয়েকজনের ধস্তাধস্তি হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যমতে পুলিশ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের পাশে মামুনের ছেঁড়া কালো গেঞ্জি পায় এবং পরে পাশের পুকুরে গিয়ে মামুনের ভাসমান লাশ খুঁজে পায় পুলিশ।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রুহুল আমিন বলেন, 'নিহত যুবকের পরিবারের পক্ষ থেকে গত ৯ তারিখ রাজারহাট থানায় নিখোঁজ জিডি করা হয়েছিল। এ পরিপ্রেক্ষিতে অনুসন্ধান চালিয়ে গতরাতে ৩ জন আটক করি এবং থানায় মামলা রেকর্ড হয়। আজ সোমবার আমরা নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার করলাম। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’