রংপুরে তিন ব্যাংকের নিরাপত্তাকর্মীর কাছ থেকে অস্ত্র ও গুলি জব্দ, গ্রেপ্তার ২

রংপুর নগরীতে তিনটি পৃথক বেসরকারি ব্যাংকের নিরাপত্তা প্রহরীর কাছ থেকে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র, ১৫ রাউন্ড গুলি এবং তিনটি ভুয়া অস্ত্রের লাইসেন্স জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় দুই নিরাপত্তাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় অস্ত্র আইনে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

আজ শুক্রবার দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান।

ওসি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রথমে অভিযান চালানো হয় মহানগরীর জাহাজ কোম্পানি মোডে অবস্থিত মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে। সেখানে কর্মরত এলিট সিকিউরিটি ফোর্সের নিয়োজিত প্রহরী শাহাদাত হোসেনের (২৬) কাছ থেকে একটি ১২ বোরের দুই নলা বন্দুক, ৫ রাউন্ড গুলি এবং একটি ভুয়া অস্ত্রের লাইসেন্স জব্দ করা হয়। তাঁকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়। শাহাদাত রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার শংকপুর গ্রামের সাইদুর সাকলাইনের ছেলে।

পরে নগরীর মাজেদা কমপ্লেক্সে অভিযান চালিয়ে যমুনা ব্যাংক থেকে আরেক নিরাপত্তা প্রহরী মো. জহুরুল হকের (২৭) ব্যবহৃত একটি ১২ বোরের এক নলা বন্দুক, ৫ রাউন্ড গুলি এবং একটি ভূয়া লাইসেন্স জব্দ করা হয়। তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জহুরুল একই উপজেলার ভাংনি ইউনিয়নের হুলাশুগঞ্জ রাধানগর এলাকার বাসিন্দা এবং আব্দুস সালামের ছেলে। তিনিও এলিট সিকিউরিটি ফোর্সের কর্মী ছিলেন।

একই সময় দেওয়ানবাড়ি রোডে অবস্থিত ডাচ বাংলা ব্যাংক থেকে বিগ সিকিউরিটি অ্যান্ড লজিস্টিকস সার্ভিস লিমিটেড কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত সিকিউরিটি গার্ড মো. মোশফেকুর রহমানের (৪১) ব্যবহৃত একটি ১২ বোরের এক নলা বন্দুক, ৫ রাউন্ড গুলি ও একটি ভুয়া লাইসেন্স জব্দ করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পালিয়ে যান। মোশফেকুর রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার হাতিমপুর গ্রামের মো. আব্দুল বাতেনের ছেলে।

তিনটি ঘটনায় কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহফুজুর রহমান বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে তিনটি পৃথক মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেপ্তার শাহাদাত ও জহুরুলকে দুপুরে রংপুর মহানগর আমলি আদালতে হাজির করা হয় বলে জানান ওসি আতাউর রহমান।