জয়পুরহাটের পশুহাটগুলোতে এবার বাড়ছে মহিষের চাহিদা। বিশেষ করে পাঁচবিবির গোহাটি বাজারে জমে উঠেছে মহিষের হাট। গো-মাংস নিয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকির ধারণা থেকে অনেকেই কোরবানিতে মহিষের দিকে ঝুঁকছেন। তুলনামূলক বেশি দাম হলেও মহিষের বেচাকেনা বেড়েছে হাটে।
গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার পশুরহাটে ভারত, নেপাল ও মিয়ানমারের গরুর উপস্থিতি কম। জয়পুরহাটের ২৭টি পশুরহাটে দেশীয় গরু-ছাগলের কেনাবেচা জমে উঠেছে। পাশাপাশি মহিষের উপস্থিতিও নজর কেড়েছে ক্রেতা-বিক্রেতার।
পাঁচবিবি উপজেলার গোহাটি বাজারে বসেছে বড় মহিষের হাট। এখানে এক লাখ ২০ হাজার থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত দামে মহিষ বিক্রি হচ্ছে।
এবার, তুলনামূলক বেশি দাম হলেও অনেকে মহিষ কেনার দিকে ঝুঁকছেন।
এদিকে, কোরবানির পশুরহাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নেওয়া হয়েছে বাড়তি ব্যবস্থা।
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি গোহাটি ইজারাদার আবু তাহের বলেন, ‘গরুর পাশাপাশি এবার মহিষও ভালো বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতা–বিক্রেতাদের নিরাপত্তায় নিশ্চিতে নেওয়া হচ্ছে বাড়তি ব্যবস্থা।’
এবার জেলায় প্রায় ৩ লাখ ২৬ হাজার পশু পালন করা হয়েছে। কোরবানিতে চাহিদা রয়েছে প্রায় ২ লাখ ৩ হাজার পশুর। এসব পশুর মধ্যে রয়েছে প্রায় ৬০০ মহিষ।