তিস্তা নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের ছাড় দেওয়া হবে না: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

তিস্তা প্রকল্পের ফিজিবিলিটি বা সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের রিপোর্ট এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর অনুমোদনের পর অর্থ পরিকল্পনা মন্ত্রীর স্বাক্ষর সাপেক্ষে পরবর্তী ৯ থেকে ১০ মাস দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে ডিপিপি তৈরি করা হবে। সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিস্তা প্রকল্প এলাকায় এর শুভ উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার নীলফামারী ও লালমনিরহাট তিস্তা ব্যারেজ ও সেচ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনে এসে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এসব তথ্য জানান। 

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তিস্তাকে নিয়ে দেশি-বিদেশি কোনো অপশক্তি বা চক্র কোনো ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হলে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।’ 

এছাড়া যত্রতত্র ও ইচ্ছামতো অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে আইডাব্লিউএম সংস্থার মাধ্যমে কোন কোন নদীতে বালু তোলা যাবে বা যাবে না তার তালিকা তৈরি করে কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী।