৪ আসনে ২৪ প্রার্থী, মৌলভীবাজারে শেষ মুহূর্তে বাড়ছে নির্বাচনী উত্তাপ

মৌলভীবাজারের ৭ উপজেলায় মোট ভোটার ১৫ লাখ ৯১ হাজার ২০৫ জন। এখানে চারটি আসনে ভোটের মাঠে লড়ছেন ২৪ জন প্রার্থী। জেলা শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছুটে বেড়াচ্ছেন প্রার্থীরা। সময় যতই ঘনিয়ে আসছে, বাড়ছে ততই উত্তাপ। জয়-পরাজয়ের বড় নিয়ামক হতে পারে পৌনে তিন লাখ চা শ্রমিক ভোটার।

হাওর-টিলা-পাহাড় ঘেরা মৌলভীবাজারে শেষ মুহূর্তে চলছে প্রচার। ভোটের মাঠে লড়ছেন ২৪ জন প্রার্থী। চারটি আসনেই বিএনপি, জামায়াত ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে জমে উঠেছে মূল লড়াই।

চারটি আসনেই প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। কুলাউড়া ও বড়লেখা-জুড়ী এই দুই আসনে প্রার্থী দিয়েছে জামায়াত। তবে মৌলভীবাজার-৩ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে লড়ছেন আব্দুল মান্নান। একই আসনে জোট সমর্থিত খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আহমদ বিলাল মাঠে থাকায় ভোটের সমীকরণ জটিল হয়ে উঠেছে। বিএনপি প্রার্থী নাসের রহমানও জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।

এম নাসের রহমান বলেন, ‘জনগণ এবার বিএনপিকে ক্ষমতায় দেখতে চায়।’

মৌলভীবাজার- ৩ আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আহমদ বিলাল বলেন, ‘ভোটের মাধ্যমে আমার কাছে জনগণের পক্ষ থেকে যে আমানত আসবে তা যথাযথ স্থানে পৌঁছানোর চেষ্টা করব।’

মৌলভীবাজার-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ ও জামায়াত প্রার্থী আমিনুল ইসলামের মধ্যেই হবে মূল লড়াই। অন্যদিকে মৌলভীবাজার-২ আসনে বিএনপি, জামায়াত ও দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে হবে চতুর্মুখী লড়াই।

এদিকে মৌলভীবাজার-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মুজিবুর রহমানের বিপরীতে আছেন বিদ্রোহী প্রার্থী মহসীন মিয়া। পাশাপাশি জয়ে আশাবাদী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব প্রীতম দাস। বলেন, ‘এই অঞ্চলের মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আমি মনে করি, মানুষ এবার শাপলা কলিতে ভোট দিয়ে এনসিপিকে জয়যুক্ত করবে।’

মৌলভীবাজার- ৪ আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী নুরে আলম হামিদী বলেন, 

মৌলভীবাজার- ৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মহসীন মিয়া বলেন, ‘শমশেরনগরে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিমানবন্দর রয়েছে। এটি পুনরায় চালু করতে আমাদের কার্যক্রম চলমান।’

ভোটের হিসাবে বদলে দিতে পারে চা শ্রমিকেরা। তাঁরা বলছেন, মৌলভীবাজারের উন্নয়নে যে অবদান রাখবেন তাঁকেই ভোট দেবেন তাঁরা।