সংঘর্ষ থামাতে সুনামগঞ্জ পুলিশ লাইনস ও ছাতক থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ এহসান শাহ।
আহতদের সুনামগঞ্জ, ছাতক ও সিলেটের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, শনিবার দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের চেচান বাউর গ্রামের শামসুদ্দিনের পুত্র ব্যবসায়ী ময়না মিয়ার চেচান বাজারের টং এর দোকান থেকে একই গ্রামের ক্রেতা তাওহিদ মিয়া বড়শির সুতা ও বড়শি কিনতে যায়। তখন দোকানদার বড়শির সুতাগুলো কোনো একটা কাঠিতে পেঁচিয়ে না দিয়ে হাতে মেপে দিয়ে দেয়। ক্রেতা তাওহিদ মিয়া সুতাগুলো কিছুতে পেঁচিয়ে দিতে বলেন, দোকানদার ময়না মিয়া কিছুতে পেচিয়ে দিতে পারবে না বলে অস্বীকৃতি জানায়। এ নিয়ে দুই পক্ষের কথা কাটাকাটি হলে দুপুরেই বাজারে মানুষজন বিষয়টি সমাধান করে দেন।
আবারো সন্ধ্যার পর থেকে গ্রামের দুপক্ষের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করে। রাত সাড়ে ১০টার দিকে গ্রামের দুপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. মাইনুল জাকির বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ অফিসার ফোর্স পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৪১ রাউন্ড টিয়ারশেল ছুড়েছে পুলিশ। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। কোনো পক্ষ থেকেই মামলা করা হয়নি।