চাঁপাইনবাবগঞ্জে টানা ছুটির কারণে আম বিক্রি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন বাগানি ও ব্যবসায়ীরা। ফলন ভালো হলেও ঢাকা-চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো যাচ্ছে না আম। বন্ধ কুরিয়ার সার্ভিসও। তাই স্থানীয় বাজারেও পড়ে গেছে দাম। ছুটির কয়েকদিন আম না পাঠানোর পরামর্শ দিয়েছে কৃষি বিভাগ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম অন্য এলাকার তুলনায় কিছুটা দেরিতে পাকে। সাধারণত মে মাসের শেষ সপ্তাহে গোপালভোগ জাতের আম দিয়ে শুরু হয় কেনা-বেচা। এর পর জুনের প্রথম সপ্তাহে ক্ষীরসাপাত, দ্বিতীয় সপ্তাহে ল্যাংড়া আম আসে বাজারে। এবার ভরা মৌসুমে ঈদের দীর্ঘ ছুটি হওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন আম বাগানি ও ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, টানা ছুটির কারণে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় আম পাঠানো বন্ধ হয়ে গেছে। এতে স্থানীয় বাজারেও কমছে দাম।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. ইয়াছিন আলী বলেন, ‘আম পরিপক্ব হলে বেশিদিন গাছেও রাখা যায় না, আবার সংরক্ষণও করা যায় না। এ কারণে ঈদের ছুটিতে কিছুটা বিপাকে পড়তে হচ্ছে চাষিদের। এ জন্য ছুটির সময়টায় গাছ থেকে আম না পাড়াই ভালো।’
এবার চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩৭ হাজার ৫০৪ হেক্টর জমির আম বাগানে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পৌনে চার লাখ মেট্রিকটন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা কৃষি বিভাগের।