শেয়ারবাজারে টানা দরপতন চলছেই

চলতি মাসে টানা দরপতন দেশের শেয়ারবাজারে। সাত কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক কমেছে ২৫৫ পয়েন্ট। এছাড়া, সোমবার আগের দিনের চেয়ে লেনদেন কমেছে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা। শেয়ারদর কমেছে ৭১ ভাগের বেশি কোম্পানির। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক কমেছে ১৪০ দশমিক এক তিন পয়েন্ট। 

চলতি মাসের শুরুতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ছিল ৫১১৫ পয়েন্টে। টানা সাত কার্যদিবস দরপতনের পর ডিএসইএক্স দাঁড়িয়েছে ৪৮৬০ পয়েন্টে। 

সোমবার লেনদেনের শুরু থেকে নেতিবাচক ছিল ঢাকার শেয়ারবাজার। প্রথম ৩০ মিনিটে প্রধানসূচক কমে ৩১ পয়েন্ট। এরপর সূচকের উত্থান-পতনে দিনশেষে ডিএসইএক্স সূচক ৩৯ দশমিক এক-সাত পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৮৬০ পয়েন্টে।

মূল্যসূচকের সঙ্গে ডিএসইতে আগের দিনের চেয়ে ৪৫ কোটি ৮৭ লাখ টাকা কমে লেনদেন নেমেছে ৪শ কোটির নিচে। এসময় লেনদেন হয়েছে ৩৫৬ কোটি ৩৩ লাখ টাকার শেয়ার। যা গত ১৩ কার্যদিবসের মধ্যে সর্বনিম্ন।

হাতবদলে অংশ নেয়া ৩৮৬টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে মাত্র ৭০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের। কমেছে ২৭৫টির এবং শেয়ার দর অপরিবর্তিত ৪১টি প্রতিষ্ঠানের।

সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানের তালিকায় প্রথম আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, দ্বিতীয় ওরিয়ন ইনফিউশন, তৃতীয় অবস্থানে সামিট অ্যালায়েন্স।

শতাংশের দিক থেকে দর বৃদ্ধির তালিকায় প্রথম পাওয়ার গ্রিড, সমতা লেদার দ্বিতীয়, তৃতীয় রানার অটোমোবাইলস।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক ১৪০ দশমিক এক-তিন পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৩ হাজার ৭৪৩ পয়েন্টে। লেনদেন হয়েছে ১৪ কোটি ৫১ লাখ টাকা শেয়ার।