চট্টগ্রাম বন্দরে অচলাবস্থা, যা বললেন নৌ উপদেষ্টা

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুড়িং কন্টেইনার টার্মিনালের (এনসিটি) পরিচালনার দ্বায়িত্ব বিদেশিদের হাতে দেওয়াকে কেন্দ্র করে শ্রমিক-কর্মচারীদের আন্দোলন আরও জোরদার হয়েছে। চলমান কর্মসূচির মেয়াদ বাড়িয়ে আরো ২৪ ঘণ্টা করা হয়েছে। ফলে চট্টগ্রাম বন্দরে অচলা অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে কথা বলেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, ‘পোর্টে অচল অবস্থা তৈরি করছে পোর্টের কর্মচারী, নির্বাচনকে টার্গেট করেই এটি করছে। মানুষ সাফার করলে মানুষ বুঝবে। ডিপিওয়ার্ডের সাথে চুক্তি ফেবারেবল করলে সরকার করবে।’

সোমবার রাজধানী এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

এ সময় নৌ উপদেষ্টা, ‘শ্রমিক ধর্মঘটে বন্দরে অচলাবস্থা তৈরি করেছে কিছুসংখ্যক পোর্টের কর্মচারী। এতে ক্ষতি হচ্ছে। নির্বাচনের ও রমজানের আগে এ ধরনের ঘটনার মাশুল কে দেবে জানি না। 

তিনি আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে আমি ও আমরা কাজ করছি না। পোর্ট অথরিটি বিষয়টি দেখছে। তাদের বলেছি, যা তাদের ভালো মনে হয় সেটা করবে।’

গত তিন দিন ধরে প্রতিদিন ৮ ঘণ্টার কর্মবিরতি ঘিরে কার্যত স্থবিরতা নেমে এসেছে চট্টগ্রাম বন্দরে। এরমধ্যে আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে  পরদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টা বন্দর কর্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ।

টানা কর্মবিরতিতে বন্দর ও বেসরকারি ডিপোগুলোতে বাড়ছে কন্টেইনার ও জাহাজ জটের শংকা। সমস্যা সমাধানে এখনও কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকলেও কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকদের পরস্পর বিরোধী কঠোর অবস্থানে বিপাকে পড়েছে আমদানি-রপ্তানিকারকসহ দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি।

সোমবার সকালে বন্দরের ভেতরে শ্রমিক কর্মচারীরা মোটর সাইকেল নিয়ে মিছিল করেছে।

এদিকে রোববার থেকে আবারও এক মাসের জন্য বন্দর এলাকায় সব ধরণের বিক্ষোভ-সমাবেশ বন্ধের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ।