দেশে পোল্ট্রি শিল্পে বিনিয়োগ ছাড়িয়েছে ৫০ হাজার কোটি টাকার বেশি। এ খাতের সঙ্গে জড়িত প্রায় ৬০ লাখ মানুষ। কিন্তু বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি এবং কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণের কারণে পুরো শিল্পই ঝুঁকির মুখে পড়েছে। নানা বাধায় ক্ষতির মুখে পড়ছেন পোল্ট্রি শিল্পের প্রান্তিক খামারিরা।
খামারিদের অভিযোগ, অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট পুরো বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। প্রতিটি ডিম উৎপাদনে খরচ সাড়ে ৯ টাকা হলেও, বিক্রি করতে হচ্ছে সাড়ে ছয় টাকায়। বাজারে মুরগির বাচ্চার দামও নিয়ন্ত্রণ করছে বড় প্রতিষ্ঠানগুলো। সব মিলিয়ে ছোট খামারিদের টিকে থাকাই কঠিন।
উদ্যোক্তারা বলছেন, প্রান্তিক খামারিরা টিকতে না পারলে পুরো শিল্প কয়েকটি করপোরেট প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে। তাদের নির্ধারণ করা দামেই ভোক্তাদের ডিম ও মুরগি কিনতে হবে। এতে, সামগ্রিক খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে।
পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি মোশারফ হোসেন বলেন, প্রন্তিক খামারিদের জন্য সরকারসহ আমাদের সবারই দায়িত্ব আছে। তাদের জন্য দেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করল, সেটাকে আমাদের সাসটেইন রাখা আমাদের কর্তব্য।’
এ শিল্পের সংকট মোকাবিলায় পোল্ট্রি উন্নয়ন নীতিমালা দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ সংশ্লিষ্টদের।