সপ্তাহান্তের শেয়ারবাজার: ডিএসইতে মূলধন কমেছে ৩ হাজার কোটি টাকা

ব্যাপক অস্থিরতার মধ্যদিয়ে বিদায়ী সপ্তাহ শেষ হয়েছে দেশের শেয়ারবাজারে। সপ্তাহজুড়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। তবে বড় মূলধনের বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর কমায় মূল্য সূচকের পতন হয়েছে। সেই সঙ্গে কমেছে বাজার মূলধন। ডিএসই'র বাজার মূলধন ৩ হাজার কোটি টাকা বেশি কমে গেছে।

পহেলা বৈশাখের ছুটি থাকায় বিদায়ী সপ্তাহে শেয়ারবাজারে মোট ৪ কার্যদিবস লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ৩ দিন সূচক বাড়লেও সপ্তাহ শেষে কিছুটা নেতিবাচক ঢাকার শেয়ারবাজারে। সপ্তাহ শেষে ডিএসইএক্স সূচক দশমিক আট ছয় পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ২৫৬ পয়েন্টে। অন্য দুটি সূচকের একটি বেড়েছে এবং আরেকটি কমেছে। 

সূচকের পাশাপাশি লেনদেনের গতি ছিল নিম্নমুখী। গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয় ৩ হাজার ২৭৩ কোটি টাকা, যা এর আগের সপ্তাহে ছিল ৩ হাজার ৩৪৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ, লেনদেন কমেছে ৭৫ কোটি টাকা। প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন হয়েছে ১৪৮ কোটি টাকা।

এদিকে, গেল সপ্তাহে বাজার মূলধনে বড় পতন হয়েছে। গত সপ্তাহের শেষদিনে বাজার মূলধন ছিলো ৬ লাখ ৮৫ হাজার ৬৩১ কোটি টাকা, যা তার আগের সপ্তাহে ছিল ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৬৬২ কোটি টাকা। অর্থাৎ, সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন কমেছে ৩ হাজার ৩১ কোটি টাকা বা দশমিক চার চার শতাংশ।

বিদায়ী সপ্তাহে হাতবদলে অংশ নেয়া ৩৯০টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ২১৩টি শেয়ারের; কমেছে ১৪২টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৩৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর। 

সপ্তাহ জুড়ে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানের তালিকায় প্রথম অবস্থায় উঠে এসেছে খান ব্রাদার্স। দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে আছে যথাক্রমে সিটি ব্যাংক ও একমি পেস্টিসাইড।

 শতাংশের হিসেবে দর বৃদ্ধির তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে ফিনিক্স ফাইন্যান্স। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার দর বেড়েছে ৩০ শতাংশের বেশি। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে মীর আক্তার ও পিপলস লিজিং। 

অন্যদিকে, বিদায়ী সপ্তাহে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক ১২ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৪ হাজার ৭৬১ পয়েন্টে। সপ্তাহজুড়ে মোট লেনদেন হয়েছে ১৪৯ কোটি ৭২ লাখ টাকা।