দেশের ৩২ শতাংশ পোশাক শ্রমিকের আয় ন্যূনতম মজুরির চেয়ে কম। আর ৭ শতাংশের আয় আন্তর্জাতিক দারিদ্র্যসীমার নিচে রয়েছে। জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন- ইউএনএসকাপ এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য।
ইউএনএসকাপের ৫৩টি সদস্য ও ৯টি সহযোগী সদস্য দেশের ওপর পরিচালিত জরিপের ভিত্তিকে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, দেশে পোশাক শ্রমিকের প্রতি ১০ জনের মধ্যে প্রায় ৭ জনই নারী। এ খাতের প্রায় ৯২ শতাংশ শ্রমিকের চাকরির কোনো লিখিত চুক্তি নেই। পরিবারের জন্য ৭৮ শতাংশ শ্রমিকই পর্যাপ্ত খাদ্য জোগাতে পারেন না। প্রতি আটজনের একজন ঋণের জালে আটকা।
প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার সংস্থার বিভিন্ন দেশের পণ্য প্রবেশের ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা এবং এর অভিঘাতের কথা তুলে ধরা হয়। উল্লেখ করা হয়, রপ্তানির প্রধান বাজার যুক্তরাষ্ট্রে শুল্ক ও আমদানি নীতিতে পরিবর্তন হলে এবং ভোক্তা চাহিদা কমলে এর প্রভাব সরাসরি পড়বে বাংলাদেশের কর্মসংস্থানে।
প্রতিবেদনে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত শ্রম পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের পাশাপাশি প্রশংসাও করা হয়েছে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশে পোশাক খাত বিশ্বের একক বৃহত্তম পোশাক কর্মী বাহিনী। ৪৪ লাখ শ্রমিক কাজ করে এই শিল্পে। বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারের ওপর বড় ধরনের নির্ভরতা রয়েছে।