শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর ৬-৭ মাস আগেই শুরু হয়ে যাবে ঋণের কিস্তি দেওয়া। সিভিল অ্যাভিয়েশন চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, সেবা চালু করতে আরও এক বছরের মতো সময় লাগবে। আর ঋণ পরিশোধ শুরু হবে আগামী জুনে। এদিকে বিদেশি কোম্পানি দিয়ে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কথা থাকলেও, চুক্তি হয়নি এখনও। যদিও বেবিচক বলছে, দেশের স্বার্থ ঠিক রেখেই টার্মিনাল চালু করতে চায় সরকার।
নির্মাণ কাজ শেষ অনেক আগেই। চলতি বছরের জুন থেকেই শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণে ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে হবে বাংলাদেশকে। প্রথম কিস্তি আটশো কোটি টাকা দিলেও, টার্মিনালকে অপারেশনে আনতে আরো কাঠখড় পোড়াতে হবে।
সোমবার দুপুরে অ্যাভিয়েশন খাতের সাংবাদিকদের সংগঠন এটিজেএফবির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন বেবিচক চেয়ারম্যান। তিনি জানান, জাপানি প্রতিষ্ঠান সুমিতোর সাথে চুক্তিসহ টার্মিনালের সেবা চালু করতে সময় লাগতে পারে ৬ থেকে ১২ মাস।
সিভিল অ্যাভিয়েশনের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক বলেন, ‘২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত ওরা মেইনটেন্যান্স সুবিধা দেবে।’
বেবিচক নিশ্চিত করেছে, এককভাবে বাংলাদেশ বিমান নয়, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে বিশ্বমানের সেবার লক্ষ্যে যৌথভাবে কাজ করবে বিদেশি প্রতিষ্ঠানও।
প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত তৃতীয় টার্মিনাল, চালু করার সক্ষমতা ছাড়াই ২০২৩ সালে উদ্বোধন করে আওয়ামী লীগ সরকার। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও এটি চালু হয়নি। অংশীদারের সাথে স্বার্থ ঠিক রেখে, বর্তমান সরকার টার্মিনালটি খুলে দিতে বদ্ধপরিকর বলে জানায় বেবিচক।