জালিয়াতি ও অর্থপাচারে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কেউ নতুন করে ঋণ পেয়েছে কিনা, তা যাচাই করে দেখছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এজন্য গত বছরের জুলাই থেকে ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা ২০ কোটি টাকা বা তার বেশি ঋণের তথ্য সংগ্রহ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এখন থেকে গ্রাহক ধরে ধরে দেখা হবে জালিয়াতি ও অর্থ পাচারে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কেউ নতুন করে ঋণ পেয়েছে কিনা। কোনো গ্রাহকের বিষয়ে আগে ঋণ নিয়ে অপব্যবহারের প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, 'এগুলোর অনুমোদন প্রক্রিয়া- অ্যাসেসমেন্ট প্রক্রিয়া- সঠিক আছে কিনা, আর যাদের কারণে আজকে ব্যাংকগুলোর এই অবস্থা, নামে-বেনামে আবার তাদের কাছেই আবার ফান্ডগুলো যাচ্ছে কিনা। এই ডেসটিনেশনগুলোও বাংলাদেশ ব্যাংক দেখতে চাচ্ছে। এক কথায়, ব্যাংকগুলোকে সর্বদা এনগেজ রাখতে চাচ্ছে তার ঋণ প্রবাহের গতিপ্রকৃতি সবসময় নখদর্পণে রাখার জন্য।'
গভর্নরের নির্দেশে ব্যাংকগুলো থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো এ তথ্য সংগ্রহ করছে। এখন নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করে ঋণের আসল সুবিধাভোগীর যাবতীয় তথ্য যাচাই করা হবে। ঋণের শৃঙ্খলা ঠিক রাখতে এবং সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে এমন উদ্যোগ নিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।