চামড়া খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে সকলের সহযোগিতা চাইলেন শিল্পমন্ত্রী

চামড়া খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে উদ্যোক্তাসহ ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চেয়েছেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। এ ছাড়া সাভারের চামড়া শিল্পনগরীতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী। শিল্প মালিকদের প্রণোদনার অর্থ দ্রুত ছাড়ে বাংলাদেশ ব্যাংককে অনুরোধ জানান তিনি।

আজ সকালে শিল্প মন্ত্রণালয়ে চামড়া খাতের উন্নয়নে গঠিত টাস্কফোর্সের সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ নষ্ট করে কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা যাবে না। আর যেসব প্রতিষ্ঠান পরিবেশ ছাড়পত্র এখনও নেননি, তাদের দ্রুত নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

সাভারের চামড়া শিল্পনগরীতে এখনো তৈরি হয়নি আদর্শ কর্মপরিবেশ। কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগারের দুর্বলতা আর বেশিরভাগ কারখানায় আন্তর্জাতিক পরিবেশ সনদ না থাকায় এখনো চামড়া রপ্তানি কাঙ্খিত লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছায়নি।

এমন পরিস্থিতিতে আসছে কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে চামড়া শিল্পের উন্নয়নে সুপারিশ ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে গঠিত টাস্কফোর্সের নবম সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বক্তারা সাভারের শিল্পনগরীতে সিইটিপিসহ এখনো নানা সংকটের কথা তুলে ধরেন। 

এ সময় পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী পরিবেশ, বন ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘পরিবেশ যাতে দূষিত না হয়, সেদিকে ট্যানারি মালিকদের খেয়াল রাখতে হবে।’ ইটিপির অপব্যবহার রোধে কঠোর হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, চামড়া খাতের রপ্তানি থেকে বছরে ১০ থেকে ১২ বিলিয়ন ডলার আয় করা সম্ভব। তবে সিইটিপিসহ বেশ কিছু দুর্বলতা থাকায় এখনও তা সম্ভব হচ্ছে না। যেসব ব্যবসায়ী কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করবে, তাদের সহযোগিতা করা হবে।

দক্ষ ও সৎ উদ্যোক্তাদের প্রণোদনা দেওয়ার পাশাপাশি, চামড়া শিল্পকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে সবার সহযোগিতাও চান শিল্পমন্ত্রী।