এবার সারা দেশে পশু কোরবানি গতবারের চেয়ে কিছুটা কম হয়েছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাথমিক ধারণা, মোট কোরবানি হয়েছে ৯০ লাখের কাছাকাছি। মন্ত্রণালয়ের হিসাবে পশুর মজুত ছিল ১ কোটি ২৩ লাখের বেশি। কৃষি অর্থনীতিবিদরা বলছেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপ ও পশু পালনে খরচ বৃদ্ধির নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কোরবানির বাজারে।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এবার ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা ছিল ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার। আর চাহিদা ১ কোটি ১ লাখ। গত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও বাড়তি ছিল পশুর সংখ্যা।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর বলছে, গত বছর ঈদুল আজহায় দেশে ৯১ লাখ পশু কোরবানি হয়। অবিক্রিত ছিল ৩৩ লাখ ১০ হাজারের বেশি। এবার কোরবানি হয়েছে ৯০ লাখের মতো।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক এ. বি. এম. খালেদুজ্জামান বলেন, ‘গত বছরে ৯১ লাখ পশু কোরবানির তথ্য আমাদের কাছে ছিল। এ বছরও কাছাকাছি যাবে। তবে পরিসংখ্যান অনুযায়ী পুরোপুরি তথ্যটা আমাদের মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী এবং মহাপরিচালকের উপস্থিতিতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হবে।’
বিশ্লেষকেরা বলছেন, সরকারি হিসাবে প্রতি বছর পশুর সংখ্যা বেশি বলা হলেও কমছে না দাম। সাথে দৈনন্দিন ব্যয় বাড়ায় কোরবানি এখন আর স্বল্প আয়ের পরিবারের নাগালে নেই।
কৃষি অর্থনীতিবিদ জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, ‘দামটা যদি বেশি হয়, তাহলে আমাদের ক্রেতা যারা আছে তারা বেশি কিনবে না এটাই স্বাভাবিক। মানুষের আর্থিক ক্ষমতা এখন ভালো না। এ অবস্থায় আমরা কীভাবে প্রতি ইউনিট খরচ কমানে পারি, সেইটা আমাদের বিবেচনা করতে হবে।’
কোরবানি ছাড়াও সারা বছর মাংসের বাজার স্বাভাবিক রাখতে সরকারকে আলাদা পরিকল্পনার তাগিদ কৃষি অর্থনীতিবিদদের।