এ বছর ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ প্রায় ১০ লাখ কম হবে বলে দাবি করছেন ট্যানারি মালিকরা। ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বলছেন, গত বছরের চেয়ে এবার কোরবানি কম হওয়ায় চামড়ার সরবরাহ কম হয়েছে। এতে সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে শঙ্কা ব্যবসায়ীদের।
কোরবানি ঈদ থেকে পরবর্তী তিনদিন সারাদেশ থেকে পশুর কাঁচা চামড়া আসে আড়তে। এরপর লবণ দিয়ে তা প্রক্রিয়াজাত করতে পাঠানো হয় সাভার ট্যানারিতে।
এবার সারাদেশ থেকে প্রায় ৮০ লাখ কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্য ছিল ট্যানারি মালিকদের। সেই বিবেচনায় ব্যাংক থেকে ঋণও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ঈদ শেষে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে শঙ্কায় তারা। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, এবার পশু কোরবানি কম হয়েছে। সব মিলিয়ে চামড়া সংগ্রহে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে দাবি ট্যানারি মালিকদের।
ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহীন আহমেদ বলেন, আমাদের ধারণার চেয়ে এ বছর পশু কোরবানি কম হয়েছে। এবছর প্রায় ৭৫ থেকে ৮০ লক্ষ পিস চামড়া সংগ্রহ হবে, যেটা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১০ লক্ষ পিস কম।
রাজধানীর বড় আড়ত পোস্তায় এবার চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্য ছিল প্রায় ১ লাখ পিস। তিন দিনে সংগ্রহ হয়েছে ৭৫ হাজারের মতো। আড়তদারদের আশা, আগামী কয়েকদিনে আরও কিছু চামড়া আসবে।
কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজী টিপু সুলতান বলেন, আজকে পর্যন্ত ৭৫ হাজার পিস চামড়া সংগৃহীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যে লক্ষ্যমাত্রা ছিল সেটা পূর্ণ হয়েছে। আজকে ঈদের তৃতীয় দিন। আজকেও কিছু চামড়া আমদানি হবে। সার্বিকভাবে আশা করছি যে, লক্ষ্যমাত্রা পূর্ণ (ফুলফিল) হবে।
চামড়ার গুণগত মান ঠিক রাখতে মাদ্রাসা-এতিমখানার পাশাপাশি আড়তেও সরকারিভাবে লবণ সরবরাহের দাবি কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ীদের।