পুঁজিবাজারে বড় দরপতনের যৌক্তিক কোনো কারণ দেখছে না ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন। মঙ্গলবার মতিঝিলে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির অভাবে বিনিয়োগকারীরা আস্থার সংকটে রয়েছে। এসময়, মূলধনী আয়ে করারোপে আরও একবছর সময় চায় সংগঠনটি।
পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়াতে ব্যবস্থাপনা থেকে পরিচালনা পর্ষদ আলাদা করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ডিমিউচুয়ালাইজড হয় বছর দশেক আগে। কিন্তু এখনো গুণগত পরিবর্তন চোখে পড়েনি বলে মনে করেন পর্যবেক্ষকরা। আস্থা না থাকায় বারবার পুঁজি হারিয়ে বাজার ছাড়ছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।
বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে নতুন বিও হিসাবে ৩ বছর করমুক্ত সুবিধা দেওয়ার দাবি করে ডিএসই ব্রোকার্স এসোসিয়েশন। যেখানে বিনিয়োগ সীমা থাকবে ১০ লাখ টাকা।
সংগঠনটির প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘সেকেন্ডারি মার্কেটের কথা যদি বলি, সেকেন্ডারি মার্কেটে দরপতনের অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে আমরা ট্রান্সপারেন্সিটা নিশ্চিত করতে পারছি না। এর মানেই হচ্ছে বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্থ হবে। বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্থ হলে আমরা কোনোদিনই এই মার্কেটকে সামনে এগিয়ে নিতে পারব না।’
সংগঠনটি জানায়, অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া মুলধনী আয়ে করারোপ করায় পুঁজিবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। সেইসঙ্গে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অন্যদের করপোরেট করহারের ব্যবধান বাড়ানোর তাগিদ তাদের।
সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘বাজেটে ট্রেড ওনারদের লিস্টিংয়ের ব্যাপারে একটি দিক নির্দেশনা থাকবে একটা রোডম্যাপ থাকবে। যে আগামী ৬ মাস–৯ মাসের মধ্যে আমরা কয়টা শেয়ার পাব। এটা যদি বলা হতো, আমাদের জন্য যেটা সুবিধা হতো যে আমার বিনিয়োগকারী ধরে রাখতে পারতাম। দেশি এবং বিদেশি।’
সংবাদ সম্মেলনে, শেয়ার কেনাবেচায় করহার অর্ধেক করা, করপোরেট আয়করকে ব্রোকারেজের জন্য চূড়ান্ত কর হিসেবে বিবেচনার দাবিও তুলে ধরা হয়।