আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তৈরি করে দেবো, আর আপনারা তা দেখে রাখবেন: গণশিক্ষা উপদেষ্টা

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেন, ‘প্রতিটি শিশুর মধ্যে অনেক সম্ভাবনা লুকায়িত থাকে, কার মধ্যে কী সম্ভাবনা রয়েছে তা উপযুক্ত পরিবেশ ছাড়া জানা যায় না। ফলে আমাদের শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো শিশুদের সম্ভাবনাগুলোকে বিকশিত করা। আর আমাদের শিশুরা দেশের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠে, তারা যেন সমাজে অবদান রাখতে পারে। তারা যেন সমাজ বিরোধী না হয়। এটাই শিক্ষার উদ্দেশ্য।’

আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নাটোর গুরুদাসপুরের খুবজিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেশের প্রথম স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের উদ্‌বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি।

এ সময় উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তৈরি করে দেবো, আর আপনারা তা দেখে রাখবেন। শিক্ষকদের সহযোগিতা করবেন। আমাদের এই স্কুল ফিডিং আপনারা দেখেশুনে রাখবেন। আমরা যৌথভাবে কাজ করতে পারি, তাহলে আমাদের প্রাথমিক শিক্ষার উন্নতি হবে।’

উদ্‌বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নুর মো. শামসুজ্জামান, নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক মোহম্মদ হারুন অর রশীদ।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচি প্রকল্প থেকে জানা যায়, প্রকল্পের শুরু থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদকালে দেশের নির্বাচিত ১৫০টি উপজেলার ১৯ হাজার ৪১৯ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩১ লাখ ১৩ হাজার শিক্ষার্থীকে স্কুল কর্মদিবসে ফর্টিফাইড বিস্কুট, ফল, বনরুটি, ডিম ও দুধ খাবার রুটিন হিসেবে দেওয়া হবে।

শিক্ষার্থীরা জানায়, স্কুলে অনেক শিক্ষার্থী টিফিন আনতে পারে না, না খেয়ে থাকে। এখন থেকে স্কুলের সবাই টিফিন পাবে। এটা পেয়ে তারা অনেক খুশি।