প্রাথমিকে শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের খাবারের মানে কোনো ধরনের অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রমাণ পেলে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাজ বাতিল করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। রোববার সকালে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ হুশিয়ারি দেন। এসময় খাদ্যের গুণগত মান ঠিক রাখতে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেওয়ার তাগিদ দেন তিনি।
উল্লেখ্য, ঝরে পড়া রোধে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিল দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এরই অংশ হিসেবে পাইলটিং আকারে ১৫১টি উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বনরুটি, সিদ্ধ ডিম, কলা, দুধ ও বিস্কুট সরবরাহ করা হচ্ছে।
এদিকে বেশ কয়েকটি জায়গায় নিম্নমানের খাবার দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের প্রমাণও পেয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। এরপরই জরুরি ভিত্তিতে রোববার খাবার বরাদ্দকারী প্রতিষ্ঠান এবং মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন প্রতিমন্ত্রীসহ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণোলয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা।
মতবিনিময় সভায় শিশুদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাবারের মান ঠিক রাখা ও সরবরাহে কোনো ধরনের অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুশিয়ারি দেন প্রতিমন্ত্রী।
ববি হাজ্জাজ বলেন, 'মূল কথা হলো, আগামী দিনগুলোতে যেন জিনিসগুলো ভালোভাবে হয়। এবং যারা ভালোভাবে করতে পারবেন না, তারা করবেন না।'
সেই সঙ্গে কাজ পাওয়া প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে একজন করে পুষ্টি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী।
এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, '(পুষ্টি বিশেষজ্ঞ) যে নির্দেশনা দিবে, এগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অনুসরণ করতে হবে। কারণ গত তিন-চার মাসে আমরা দেখেছি, যে এগুলো ছাড়া আমরা সঠিক জায়গায় যেতে পারছি না। এগুলো করতে হবে।'
খাদ্য কোথা থেকে আসছে, কিভাবে প্রক্রিয়াজাত হচ্ছে এবং কার মাধ্যমে বিদ্যালয়ে পৌঁছাচ্ছে, তার পূর্ণাঙ্গ তথ্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে থাকতে হবে।
এখনকার সমস্যাগুলো চিহ্নিত ও সমাধান করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশের সব বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল চালু করা হচ্ছে।