এসএসসি-এইচএসসিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ১৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। সরকারের এমন সিদ্ধান্তকে যুগোপযোগী ও ঐতিহাসিক উল্লেখ করে সাধুবাদ জানিয়েছেন শিক্ষাবিদরা। তবে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে নেতিবাচক দিকগুলোকেও বিবেচনার পরামর্শ তাদের।
এ বছর ১৮ লাখ ২৯ হাজার এসএসসি শিক্ষার্থীর মধ্যে ফেল করেছে প্রায় ৭ লাখ। গড় পাসের হার ৬২ দশমিক দুই পাঁচ, যা গত ৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণে উঠে এসেছে শিক্ষার্থীদের বিষয়ভিত্তিক ফলের ভিন্ন চিত্র। প্রকাশিত ফলে দেখা গেছে, ইংরেজি ও গণিতে তুলনামূলক সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে।
এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারের নতুন ভাবনা জানান শিক্ষামন্ত্রী। জানান, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ১৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার।
দ্যা রেডিয়াস ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রিন্সিপাল হাফিজুর রহমান বলেন, ‘এমন সিদ্ধান্তের ফলে শিক্ষার্থীদের ঝড়ে পড়া অনেকটাই রোধ করা সম্ভব।’
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘এক বা দুই বিষয়ে ফেল করার কারণে পুরো একবছর নষ্ট করা উচিত নয়। তবে তিনের বেশি বিষয়ে অকৃতকার্যদের নিয়ে আলাদা করে ভাবা প্রয়োজন।’
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ বি এম শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারের এমন চিন্তাকে সাধুবাদ জানাই।’
শুধু মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক নয়, সব স্তরেই দ্রুত পরীক্ষার ব্যবস্থা করে অকৃকার্যদের পুনরায় সুযোগ দেয়ারও তাগিদ বিশ্লেষকদের।