শাকিব-বুবলী প্রসঙ্গে অট্টহাসি অপুর, প্রশ্ন বিয়ে নিয়ে

দেশের জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস। কাজ ছাড়াও নানা বিষয়ে আলোচনায় থাকেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জড়িয়েছেন নানা বিতর্কে। যার প্রায় পুরোটাই শবনম বুবলীকেন্দ্রিক। নিজের প্রাক্তন শাকিব খানের সঙ্গে বুবলীর ‘দূরত্বের’ পরই এগুলো আরও বেগবান হয়েছে। 

এবার ভারতীয় গণমাধ্যমে কথা বলেছেন অপু। আর সেখানে এক প্রশ্নের জবাবে অপু দাবি করেন, সন্তান থাকলে কোনো মেয়েরই দ্বিতীয় বিয়ে করা উচিত নয়। তিনি এ রকমটা কখনোই করবেন না। সেইসঙ্গে ২০০৯ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত এই ছয় বছর কোনো নায়িকাই তাঁর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পারেননি বলেও মন্তব্য করেন তিনি। অন্যদিকে প্রশ্ন তোলেন শাকিব ও বুবলীর বিয়ে নিয়েও। 

তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়, কখনও দ্বিতীয় বিয়ের কথা ভেবেছেন কি না? এর প্রত্যুত্তরে অপু বলেন, ‘না, কখনও ভাবিনি। দ্বিতীয় বিয়ের দরকারটা কী? বাংলাদেশে আমার এমন একটা জায়গা রয়েছে, যেখানে সকলে ভাবেন অপু যা-ই করবেন তার মধ্যে একটা বার্তা থাকবে। সেই দিক থেকে দর্শকের কাছে খুবই কৃতজ্ঞ। একটা মেয়ে, যার সন্তান আছে সে কেন দ্বিতীয় বিয়ে করবে? দ্বিতীয় বিয়েতে সে হয়তো স্বামী পাবে, তাঁর সামাজিক পরিচিতি পাবে। কিন্তু সন্তানটা? সে কি একজন সৎবাবা পাবে! সন্তানের প্রতি ওই বাবা যে সমান ভালবাসা দেবে, তা তো নয়। তাই আমি মনে করি, দ্বিতীয় বিয়েই করব না! তাহলে সন্তান তাঁর নিজের বাবাকেই পাবে, অন্য কাউকে বাবা বলতে হবে না। তাই যেকোনো এক জনকে আত্মত্যাগ করতেই হয়, তাতে ভুল কিছু নেই। মা হিসেবে আত্মত্যাগ করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

এরপরই শাকিব-বুবলীর বিয়ে নিয়ে বিস্ফোরক ইঙ্গিত দেন অপু। পরের প্রশ্নটি ছিল এমন— কিন্তু শাকিব যে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন?’

অপুর ভাষ্য, ‘কী বললেন, দ্বিতীয় বিয়ে? (জোর হাসি)। এ বিষয়ে কোনও ব্যাখ্যা দেব না।’

ব্যক্তিজীবন নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে অপু বলেন, ‌‘বাংলাদেশে এই অপু বিশ্বাসই প্রথম, যে বুঝিয়ে দিয়েছে নায়িকাদের সন্তান হওয়ার পরও ভালো ক্যারিয়ার হওয়া সম্ভব। একটা সময় বাংলাদেশে নায়িকাদের এমন ধারণা ছিল, মা হয়েছি বলব না, আমার সন্তান আছে বলব না, আমি বিবাহিত বলব না। কিন্তু আমার মনে হয়, সত্যিটা লুকিয়ে রাখা যায় না। অপু বিশ্বাস সেই চলতি ধারণা ভেঙেছে। মা হয়েছি, সকলকে জানিয়েছি। সন্তান হওয়ার পর অনেক ধরনের শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে চিন্তা থাকে। আমি অবশ্য নিজেকে বদলেছি। মাতৃত্বকে উদযাপন করেছি।’