নাটক, চলচ্চিত্র, বিজ্ঞাপন—শোবিজের এমন গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যমগুলোর জনপ্রিয় অভিনেতা মনোজ প্রামাণিক। সর্বশেষ তাঁকে দেখা গেছে ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’য়। যেখানে নাম ভূমিকায় ছিলেন অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা। তবে অভিনেতা মনোজ এবার হাজির হচ্ছেন নতুন পরিচয়ে। ঠিকই শুনছেন! পরিচালনায় নাম লিখিয়েছেন তিনি।
‘হইতে সুরমা’ নামে শর্টফিল্ম নির্মাণ করলেন মনোজ। এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো পরিচালকের আসনে বসেছেন তিনি। গত বছরের এপ্রিলে ইন্টারন্যাশনাল একাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়ার উদ্যোগে আয়োজিত ‘ইকো ফিল্ম ল্যাব: ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম রেসিডেন্সি’র অংশ হিসেবে তাঁর এই চলচ্চিত্র নির্মাণ। গাইড হিসেবে ছিলেন ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা-কবি সানাল কুমার শশীধরন।
এ প্রসঙ্গে ইনডিপেনডেন্ট ডিজিটালকে অভিনেতা বললেন, ‘আপনারা জানেন আমি ত্রিশালের কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করি। ফিল্ম ডিপার্টমেন্টে পড়াই। সেটার জন্য আসলে নিজেকে প্রতিনিয়ত আপডেট রাখা বা ডেভেলপ করা বা আরও জানাশোনা দরকার। সেজন্য আমি ফিল্ম মেকিং ল্যাবে অংশ নিই। নাম—ইকো ফিল্ম ল্যাব। সেখানে একটি অ্যাসাইনমেন্ট ছিল। তারই ফলাফল হিসেবে হইতে সুরমা সিনেমাটি বানিয়েছি।’
জানা গেছে, শর্টফিল্মটি নির্মিত হয়েছে যৌথ চিত্রনাট্য ও পরিচালনায়। মনোজের সঙ্গে ছিলেন সুব্রত সরকার। গল্পে তুলে ধরা হয়েছে জলবায়ু ও বাস্তুসংস্থান সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়। অভিনয় করেছেন মিলাদ হোসেন, ফিরোজ আহমেদ ও বিজয় দাস।
ক্যারিয়ারের শুরুতে নির্মাতা অমিতাভ রেজার সহ-পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন মনোজ প্রামাণিক। তবে এবারই প্রথম মূল পরিচালক তিনি। নতুন এই অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে মনোজ বলেন, ‘আমি একজন অভিনেতা, দিনশেষে অভিনেতা হিসেবেই থাকতে চাই। সিনেমাটি আমার জন্য একটা শিক্ষণীয় ব্যাপার ছিল, যা আমার অভিনয় ও শিক্ষকতার বিভিন্ন জায়গায় ভালো কিছু করতে সাহায্য করবে।’
ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে হইতে সুরমা শর্টফিল্মটি জমা দেওয়া হচ্ছে। সেসব প্রদর্শনী শেষ হতে কিছু সময় লাগবে। তারপর দেশেও বিভিন্ন উৎসবে সিনেমাটি প্রদর্শিত হবে।